নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে মাত্র চারটি বেড। তাও আবার চারতলা ভবনের নিচতলার ডায়রিয়া ওয়ার্ডের একটি কক্ষে।
এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের পরিচালক মো. খলিল উল্লাহ জানান, হাসপাতালের পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত। নতুন অস্থায়ী ভবন এবং আগের দুইটি ভবনে কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে চিকিত্সাসেবা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এই পরিবেশ-পরিস্থিতিতে এখানে এমনিতেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রাখার মতো অবস্থা নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা ও জেনারেল হাসপাতালে বেড স্বল্পতা প্রসঙ্গে জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোমিনুর রহমান জানান, জেনারেল হাসপাতালে বেড সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব নয়। সেই জন্য করোনা ভাইরাসের প্রস্তুতিতে কোম্পানীগঞ্জের চরআলগীর হাসপাতালে ২০ বেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ১০০ বেডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জেলায় শনিবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালও এর আওতায় আনা হবে। তিনি আরো জানান, সরকারি প্রস্তুতিতে ইতিমধ্যে জেলা ও উপজেলা কমিটি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে সভাপতি ও সিভিল সার্জনকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি গঠন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র্যাপিড রেসপন্স টিম ও হাসপাতালে কোভিড-১৯ ম্যানেজমেন্ট কমিটি করা হয়েছে।
চাটমোহর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসোলেশন
চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ শয্যার আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত এ উপজেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। তবে চীন ফেরত একজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাসেবা দিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিত্সক, নার্স, চিকিত্সাসামগ্রী রাখা হয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডা. শুয়াইবুর রহমান জানান।
