টঙ্গীতে মশার উপদ্রব

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২০, ২১:৫৫

কাজী রফিক, টঙ্গী (গাজীপুর) সংবাদদাতা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীতে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন। টঙ্গীতে শিল্পকারখানা বেশি থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস এখানে। অথচ ঘনবসতিপূর্ণ টঙ্গীতে মশক নিধন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য পরিদর্শক মদন চন্দ্র দাস জানান, মহানগরে মশক নিধনের জন্য ফগার মেশিনসংখ্যা ৩৫টি। টঙ্গীতে পাঁচটি ফগার মেশিন থাকলেও সাধারণ মানুষের সেবা না দিয়ে এ মেশিন ব্যবহার হচ্ছে ঊর্ধ্বতন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অফিস ও নেতাদের বাসাবাড়ির আশপাশে।

টঙ্গীর বাসিন্দা আব্দুল হামিদ জানান, টঙ্গীতে দিন-রাত মশার উপদ্রবে বাসাবাড়িতে থাকাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী সন্ধ্যা হলেই মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। কয়েল জ্বালিয়েও মশার অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। টঙ্গী বাজারের ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শাখা সড়কগুলোর ড্রেনেজব্যবস্থা নাজুক। ড্রেনের ময়লার দুর্গন্ধে এবং মশার অত্যাচারে রাস্তাঘাটে চলাচল দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম সোহরাব হোসেন জানান, কাউন্সিলর ও জনপ্রতিনিধিরা কী করছে? মশক নিধন তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তারা ব্যবস্থা নেয় না কেন? ফগার মেশিন এবং ওষুধ দিতে আমরা প্রস্তুত। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও ময়লা-আবর্জনা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় ঢাকনাবিহীন ড্রেনেজব্যবস্থা। কোথাও আবার সুয়ারেজের পানি উপচে শাখা সড়কে জমে আছে।