প্রচারণায় কোমর বেঁধে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা। তাদের সঙ্গে দুই দলের কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলার প্রথমসারির নেতারা প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। প্রতিদিন তারা ২-৩টি ওয়ার্ডে প্রচারণা চালাচ্ছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারণায় মেয়র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। তবে প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় কাউন্সিলর প্রার্থীরা দুশ্চিন্তায় রয়েছে। বিএনপির চেয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মধ্যে কাউন্সিলর পদে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। তারা ভেতরে ভেতরে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে দফায় দফায় বৈঠক করে সমঝোতার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সল্টগোলা এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক কাউন্সিলর প্রার্থী আহত হয়েছেন।
কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রচারণাকালে তারা ভোটারদের উত্সাহ দিচ্ছেন, যাতে তারা ভোটকেন্দ্রে যায় ভোট দিতে। ভোটার বাড়াতে নির্বাচন কমিশনও প্রথমবারের মতো ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক-বিমা আধাবেলা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যানবাহনও সীমিত আকারে চালু থাকবে। তার পরও ভোটারদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বিরাজ করছে।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে আওয়ামী লীগের সমর্থনপ্রাপ্ত কাউন্সিলর প্রার্থীরা বেকায়দায় পড়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলবল নিয়ে এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রার্থীদের সবার এলাকায় কম-বেশি জনসমর্থন রয়েছে। কেউ ছেড়ে দিতে নারাজ। এমতাবস্থায় দলের শীর্ষ নেতাদের মাধ্যমে বিদ্রোহী প্রার্থীদের সরানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন দলসমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ভেতরে ভেতরে চলছে দর কষাকষি।
গতকাল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী উত্তর আগ্রাবাদ ও দক্ষিণ আগ্রাবাদ এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন গতকাল পশ্চিম বাকলিয়া এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন। এদিকে ইসলামী ফ্রন্ট মেয়র প্রার্থী মাওলানা এম এ মতিন মোমবাতি প্রতীক ও ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
