ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ
স্পোর্টস রিপোর্টার
দলে ছিলেন তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুনের মতো ব্যাটিং তারকা। কিন্তু তারা কেউ নন, ব্যাট হাতে প্রাইম ব্যাংকের উদ্ধার কর্তা হলেন লোয়ার অর্ডারে নামা নাহিদুল ইসলাম ও ‘বোলার’ নাঈম হাসান। আবার বল হাতেও তারা দুই জন জ্বলে উঠলেন। আর এই মিলিয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৯ রানের জয় পেল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরুতেই এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলো প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস। মাত্র জনা তিরিশেক দর্শক সাক্ষী রেখে শুরু হওয়া ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে কোনো রান না করেই ফিরে যান বিজয়। এরপর রনি তালুকদার হাল ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু তামিম ইকবাল অন্য প্রান্তে খুব জড়োসড়ো ছিলেন। ৪৭ বলে ১৯ রান করে ফেরেন তামিম। এরপর রকিবুল ৫ ও মোহাম্মদ মিঠুন ২৭ রান করে ফিরে আসেন। একসময় থামে রনি তালুকদারের ইনিংসও। তিনি ১০৪ বলে ৭৯ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন। অলক কাপালি ফেরেন ১৭ রান করে।
প্রাইম ব্যাংককে ভালো পুঁজি এনে দেন এরপর নাহিদুল ও নাঈমের ৯৬ রানের জুটি। নাহিদুল ৪৩ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলার হিসেবে পরিচিত নাঈম তাকে দারুণ সঙ্গ দেন। নাঈম ৩৬ বলে ৬টি চারে সাজানো ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৩টি ও সদ্য জাতীয় দলে ডাক পাওয়া নাসুম ২টি উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ওপেনার জাকিরের উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। এরপর মুমিনুল ও রিয়াদের সঙ্গে ভালো দুটি জুটি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সৌম্য সরকার। মুমিনুল ২৮ রান ও রিয়াদ ৩২ রান করে ফেরেন। এর মাঝে ফিরে আসেন ৫১ বলে ৪৯ রান করা সৌম্য সরকার। আরিফুল ২০ রান ও আকবর আরী ৩১ রান করে মাঝে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছিলেন। আর সবচেয়ে বেশি চেষ্টাটা করেছেন মেহেদী হাসান। এই বোলার ৪৯ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। তার পরও দূরে থেকে যায় লক্ষ্য।
মুস্তাফিজ, নাহিদুল ও অলক ২টি করে উইকেট নেন। নাঈম ৬ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
প্রাইম ব্যাংক: ৫০ ওভারে ২৫১/৬
(রনি ৭৯, নাহিদুল ৫৩*, নাঈম হাসান ৪৬*, মিঠুন ২৭; রিয়াদ ৩/৫৩, নাসুম ২/৪০)।
গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স: ৫০ ওভারে ২৪২/৯
(মেহেদী ৫৬*, সৌম্য ৪৯, রিয়াদ ৩২, মুমিনুল ২৮, আরিফুল ২০; নাহিদুল ২/৩০, অলক ২/৩২, মুস্তাফিজুর ২/৪২)।
