বিবিসি
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট সুনামি সনাক্ত করে আগেভাগেই সতর্কবার্তা দিতে সক্ষম একটি নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। আগামী বছর নতুন এ প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির একটি সরকারি সংস্থা। গত শনিবার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাতে সমুদ্র তলদেশে ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট সুনামিতে ইন্দোনেশিয়ায় অন্তত ৪২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৫৯ জন, এখনো নিখোঁজ দেড় শতাধিক মানুষ।
‘অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাপলিকেশন অব টেকনোলজি’ সংস্থার মুখপাত্র আইয়ান তুরিয়ান বিবিসি ইন্দোনেশিয়া সার্ভিস’কে বলেন, নতুন প্রযুক্তি ঢেউয়ের আকার সনাক্ত করে সুনামির সতর্কতা জানাবে। এই প্রযুক্তি ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট সুনামির সতর্কতা জারি করতে সক্ষম। কিন্তু সমুদ্র তলদেশে ভূমিধস বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাতের কারণে সমুদ্রে আলোড়ন সৃষ্টির ফলে যে ভয়াবহ ঢেউ তৈরি হয় তা সম্পর্কে কোনো আগাম ধারণা দিতে পারে না।
এদিকে শনিবারের সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এখন পর্যাপ্ত খাবার, পানি, ওষুধ ও কম্বল না পৌঁছানোয় আটকে পড়া লোকজনকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। ওইসব এলাকায় হাজার হাজার মানুষ তাঁবু, অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র বা মসজিদে বসবাস করছে।
