সংবাদমাধ্যম ঠিকমতো কাজ করলে রাষ্ট্রের তিন স্তম্ভও ঠিকভাবে চলবে :হাইকোর্ট

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২০, ২১:১৯

সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে গভীর রাতে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে সাজা দেওয়ার মামলার সকল নথি তলব করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঐ ঘটনায় জড়িত কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানা পারভীনসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আগামী সোমবারের মধ্যে তা আদালতকে জানাতে রাষ্ট্রপক্ষকে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার               এই আদেশ দেন। আদালত বলেছেন, সংবাদমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সংবাদমাধ্যম যদি ঠিকমতো কাজ করে তাহলে রাষ্ট্রের অন্য তিন স্তম্ভ (আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ) ঠিকভাবে কাজ করবে। আদালত বলেন, প্রথম উদ্দেশ্য হচ্ছে—সাংবাদিক আরিফ যেন বিচারটা পান। তাকে যদি বিচারটা দিতে পারি তাহলে আমাদের সবার প্রচেষ্টা সফল হবে।

শুনানিতে রিটকারীর আইনজীবী এম আমিন উদ্দিন বলেন, ডিসির বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশের জেরেই রাতের আঁধারে বসতঘরের দরজা ভেঙে সাংবাদিককে ধরে এনে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতা আছে বলেই কোনো নাগরিককে এভাবে ধরে এনে সাজা দেওয়া যায় না। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার। আদালত বলেন, এক জন পদধারী ব্যক্তি রাষ্ট্র বা সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করেন না। ঐ পদধারী ব্যক্তি যদি অপরাধ করেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় তাহলে সেটা আইনের শাসন। আর যদি ব্যবস্থা না নেন তাহলে সেটা হবে আইনের লঙ্ঘন।