গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় ১১ ইউনিয়নের মধ্যে নদীর দক্ষিণ পাশে ৩ ইউনিয়ন এবং উত্তর পাশে ৮ ইউনিয়ন। মাঝখানে শীতলক্ষ্যা নদী। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নদী পার হয়ে তরগাঁও এলাকা দিয়ে কাপাসিয়া সদরে আসে। স্থায়ী খেয়াঘাট না থাকায় সদরের কাঁচাবাজারের ভেতর দিয়ে উপজেলা শহরে আসতে হয়। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীকে। স্কুল ও কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই। নদীর ঐ পারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হওয়ায় রোগীরা সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়। নদীর দক্ষিণ পাশের ৮ ইউনিয়ন থেকে কৃষকরা সবজি নিয়ে সদর বাজারে বিক্রি করতে আসেন। সড়ক না থাকায় তারা বেকাদায় পড়েন। অন্যদিকে এই পাড়ে উপজেলা পরিষদ হওয়ায় প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ নৌকা দিয়ে নদী পার হয়ে কাপাসিয়া সদরে আসে। বাঁধানো খেয়াঘাট থাকলেও ময়লা-আবর্জনার কারণে তা এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। মানুষ সেখানে মূত্রত্যাগ করে। হাত দিয়ে মুখ ঢেকে চলাচল করতে হয় পথচারীদের। ঘাটে প্রায় ৩৫টি নৌকা রয়েছে। যা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে। দুর্গন্ধযুক্ত ঘাট পরিষ্কার করে চলাচলের উপযোগী করার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। নয়তো ঘাটের রাস্তা কাঁচাবাজার থেকে সরিয়ে সম্প্রসারণ করা উচিত। কাজের সমন্বয় না থাকায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ। উপজেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে অবগত থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। জনদুর্ভোগ লাঘবে আশু ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তম্ময় হাসান, কাপাসিয়া, গাজীপুর
