জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বৈষম্যের শিকার

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২০, ২১:২৯

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর প্রকাশিত প্রশাসনিক পরিপত্র (নং-২৩) মোতাবেক জিপিএফ স্কিমভুক্ত ১০০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারীদের অনুরূপ অবসরপ্রাপ্ত সিপিএফ স্কিমভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে মাসিক চিকিত্সাভাতা, উত্সবভাতা ও বাংলা নববর্ষভাতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকও তদনুযায়ী এই আর্থিক সুবিধাদি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট পরিপত্র পেলেও জনতা ব্যাংক এ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করেনি। আমরা জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিপিএফ স্কিমভুক্তরা অবসরকালে জিপিএফ স্কিমভুক্তদের থেকে প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ অর্থ কম পেয়েছি। তাও ইতিমধ্যে খরচ হয়ে যাওয়ায় আমরা অত্যন্ত কষ্টে জীবনযাপন করছি। এই বৃদ্ধ বয়সে অর্থাভাবে নিজেদের চিকিত্সা করানোর সামর্থ্যও আমাদের নেই। প্রসঙ্গত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনা করে জিপিএফ স্কিমভুক্তদের ১০০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারীদের ২০০৪ সালের ১ জুলাই থেকে বর্ণিত সুবিধা এবং অবসরকালীন ১৫ বছরের পর থেকে পেনশন দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন, যা ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। কিন্তু আমরা জনতা ব্যাংক সিপিএফ স্কিমভুক্তরা এখন পর্যন্ত পেনশন তো দূরের কথা, চিকিত্সাভাতা, উত্সবভাতা এবং বাংলা নববর্ষভাতাও পাই না। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিপত্র অনুযায়ী আর্থিক সুবিধাদি মঞ্জুর করার জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

মো. আবুল কাশেম

প্রিন্সিপাল অফিসার (অবসরপ্রাপ্ত),

জনতা ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা