সারারাত ধরে শুধু মাস্তুলের চারপাশে বহু পাখিদের ওড়াউাড়ি
আর সারবাঁধা ডানা কুয়াশার মতো শব্দ করে—দূরে যেন ধীরশিখা
শূন্য থেকে ভূমি থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে শতশত পাখি দ্রুত কোলাহলে যেন
প্রতিধ্বনি তুলে ফের আমাকে কাঁপাচ্ছে অনিঃশেষ। যেখানে কিছুই নেই
সেইরকম শুকনো—উঁচু জায়গায় আলো জ্বলে—হয়তো পায়রা ছিল—
পাশ কাটিয়ে সেখানে এখন নামছে পাখিগুলো—আর আমি ছায়া খুলে
তাদের দেখছি যেন, হরিণের মতো স্নেহ-শব্দ আমার নিশ্চল বুকে
কুয়াশা অর্জন করে—বেঁচে থাকার রহস্য যেন সাদা চিন্তা খেয়ে ফ্যালে।
সন্ধ্যা চুরমার করে বৃষ্টিরা এখন টানা তারে সারাক্ষণ সুরহীন,
প্রাণীর জীবন ছেঁচে বানানো কার্পেটে হেঁটে হেঁটে অবিরাম নুয়ে পড়ি
ক্ষত হওয়ার মতো কমলালেবুর পরিশ্রমে—ভরে থাকা গাঢ় স্বাদে।
চারপাশে ফেনাভরা নদী-রাত-শব্দ-গাছ আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে
কালো ছায়ার শরীরে, পাখিরা কেবল উদাসীন পাখিদের মতো যেন,
সুউচ্চ গিরিতে শুধু অবাধে গড়িয়ে যাচ্ছে এক বেদখল দীর্ঘশ্বাস।
