সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস নিয়ে শঙ্কা বাড়ছেই। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে একজন মারা গেছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। এমতাবস্থায় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পাঠকরা কী ভাবছেন ও ব্যবস্থা নিচ্ছেন সেই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত তাদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো
করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে জনগণ যদি সতর্কতামূলক নির্দেশনা মেনে চলে তাহলে এর বিস্তার রোধ করা অসম্ভব নয়। তবে ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে আইইডিসিআর সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সংস্থাটির পরিচালক প্রতিনিয়ত যে ব্রিফিং দিয়ে যাচ্ছেন তা যেন ব্রিফিংএ সীমাবদ্ধ না থাকে। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যারা জড়িত যেমন চিকিত্সক, নার্সসহ অন্যরা কতটুকু প্রস্তুত সেটাও একটা বড়ো বিষয়। তাদের প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান ভীষণ জরুরি বিধায়, বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে প্রস্তুত রাখা একান্তভাবে জরুরি। সেই সঙ্গে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোকে পর্যাপ্ত মেশিনপত্র সরবরাহসহ সতর্কতার সঙ্গে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে মনিটর করতে হবে। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নয়, বাধ্যতামূলক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা বাধ্যতামূলক করা হোক।
মোহাম্মদ শহীদউল্যা
হকভিলা, মেরাদিয়া, সিপাহীবাগ, ঢাকা
শুরু থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে এসেছে, বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এমতাবস্থায় করোনা প্রতিরোধের জন্য যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে : ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে; হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখতে হবে পরিষ্কার রুমাল, টিস্যু পেপার বা হাত দিয়ে; ঠান্ডা বা ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে সতর্ক থাকতে হবে; মাছ-মাংস-ডিম খুব ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে; বন্যপ্রাণী বা গৃহপালিত পশুপাখিকে খালি হাতে স্পর্শ করা যাবে না; প্রয়োজনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে; সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে; ঘনবসতি এলাকায় পিছিয়ে থাকা মানুষকে সরকার, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিশেষ সহযোগিতা করতে হবে; ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে; যতটা সম্ভব ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে। চিকিত্সাও প্রাথমিকভাবে খুব সাধারণ। পর্যাপ্ত বিশ্রাম; প্রচুর পানি পান করতে হবে; উপসর্গ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে। শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিত্সকের কাছে যেতে হবে।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর-৫২৫০
করোনা ভাইরাস নিয়ে সারা বিশ্বে আতঙ্ক চলছে। আমরা মনে করি, আতঙ্কিত না হয়ে নিয়মনীতি মেনে চলা দরকার। বিদেশফেরত বেশির ভাগ মানুষই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় গ্রামের নিজ বাড়িতে চলে গেছেন, যাচ্ছেন বা যাবেন। তাদের কেউ আকান্ত হলে কীভাবে সেটা শনাক্ত হবে, তার চিকিত্সা কী হবে-এ বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিদেশফেরত প্রত্যেকে যেন অন্তত ২ সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকেন তা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ওপর নজর রাখতে হবে।
করিম
ধানমন্ডি, ঢাকা
বিদেশ থেকে যারা দেশে ফিরছেন তাদের নিজেদের বাসগৃহে কোয়ারেন্টাইনে রাখার বদলে সরকারি উদ্যোগে রাখার বিষয়টি সবার আগে ভাবতে হবে। আমরা মনে করি, সবাই মিলে সামান্য কিছু সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে এই দুর্যোগ থেকে আমরা নিশ্চয়ই মুক্তি পাব।
মো. মারুফুজ্জামান
খিলগাঁও, ঢাকা
বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটি ভালো কাজ হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি/বেসরকারি অফিসে কাজের সময় কমিয়ে আনা যায় কি না—সে বিষয়ে ভাবতে হবে।
সুলতানা জামান
মানিকনগর, ঢাকা
করোনা ভাইরাসের এ মৌসুমে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে সর্দি, কাশি অথবা জ্বর আছে—এমন লোকের প্রবেশ যাতে না ঘটে সেদিকে সতর্ক থাকা দরকার। এছাড়া বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে রোগটির বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিতে হবে।
পারভীন সুলতানা
রামচন্দ্রপুর, কুষ্টিয়া
করোনা ভাইরাস বিষয় নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা বাড়াতে হবে। এ পরিস্থিতিতে যে দেশের মানুষ করোনা ভাইরাস নিয়ে যত বেশি শঙ্কিত হবে, সে দেশে তত বেশি ছড়িয়ে পড়বে করোনা ভাইরাস।
অ্যাডভোকেট মো. রবিউল হোসেন রবি
কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
আমরা যারা বাংলাদেশ বসবাস করছি তারা যেন একটু সচেতন হই। ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে নিদের্শনা দিয়েছে, তা যেন মেনে চলি। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, নিয়মিত হাত মুখ ধোয়া এবং বাড়িতে যাওয়ার পর একেবারে ফ্রেস হয়ে খাদ্য গ্রহণ করা এবং পরিবারের সবাইকে এই আক্রান্ত দিনগুলোতে সতর্কভাবে চলাফেরা করার পরামর্শ দিতে হবে।
মো. জসিম উদ্দিন
প্রভাষক, নরসিংদী প্রেসিডেন্সি কলেজ, ব্রাক্ষণদি, নরসিংদী
পৃথিবীতে স্রষ্টার নিয়ম বহির্ভূত কার্যক্রমের কারণে এ রকম গজবকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে মহান স্রষ্টার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি পরম করুণাময় দয়ালু সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তাই সবসময় স্রষ্টার ধ্যানে মগ্ন থেকে পানা চাইতে হবে। তার পরেও আমাদেরকে সচেতনতার সঙ্গে নিয়ম মেনে চলতে হবে।
মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক নাছিম
চান্দাই কোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
আপাতত প্রতিকার হিসেবে এ ভাইরাস বহনকারীদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে বলছেন বিজ্ঞানীরা। ডাক্তারদের পরামর্শ, বারবার হাত ধোয়া, হাত দিয়ে নাক-মুখ স্পর্শ না করা ও ঘরের বাইরে গেলে মুখোশ পরা। হাত সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, বারবার হাত ধুতে হবে। হাত দিয়ে নাক বা মুখ ঘষা যাবে না, ঘরের বাইরে গেলে মুখোশ পরতে হবে। ‘আপনি যদি অসুস্থ হয়ে থাকেন তাহলে মুখোশ পরুন, আর নিজে অসুস্থ না হলেও, অন্যের সংস্পর্শ এড়াতে মুখোশ পরুন।’ আপাতত এতটুকু মানলেই যথেষ্ট বোধহয়।
বিলকিছ আক্তার
হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর
অর্থনৈতিক ধস, বিশ্ব জুড়ে গণবিচ্ছন্নতা ও নানা অস্থিরতা দেখে কোনোভাবেই করোনা ভাইরাস থেকে শঙ্কামুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। তাই এ থেকে বাঁচতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা, জনসমাগম ও গণপরিবহন এড়িয়ে চলাসহ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকা উচিত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী নিজে চলা ও অন্যকেও উত্সাহী করা দরকার।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ
করোনার চেয়ে সার্স, ইবোলা ভাইরাসে অনেক বেশি মানুষ মারা গেছে। একদল লোক সোস্যাল মিডিয়ায় করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। মানুষকে সচেতন করতে গিয়ে আতঙ্কিত করছে। সব তথ্য সঠিক নয়। সঠিক নয় এমন তথ্য শেয়ার, পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। করোনা যতোটা না ভয়াবহ, তারচেয়ে বেশি ভয়ংকর করে তোলা হয়েছে। এটা বন্ধ করা দরকার।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বানারীপাড়া, বরিশাল-৮৫৩০
করোনা ভাইরাসের সতর্কতা হিসেবে অনেক দেশ বিমান চলাচল সীমিত করেছে, অনেকে দেশের সীমান্ত বন্ধ রেখেছে এবং এটি প্রতিরোধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শপিংমল ইত্যাদি বন্ধ করে দিয়েছে। গণমাধ্যমগুলো শুরু থেকেই প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পাতায় করোনা ভাইরাস নিয়ে নিত্যনতুন আপডেট দিচ্ছে এবং আমার মতো হাজারও পাঠক নিশ্চয়ই অনেক উপকৃত হচ্ছে। আমি মনে করি, এর প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আতঙ্কিত না হয়ে বরং সর্বদা সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। আক্রান্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কিত না হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলে যেতে হবে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিত পন্থা অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শক্তি ও সাহস যে কোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ করে তোলে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব আতঙ্কিত। প্রথম মনে করা হয়েছিল এটা জৈবিক ভাইরাস। কিন্তু বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মারফত জানা যাচ্ছে যে, এটা রাসায়নিক ভাইরাস। এই ভাইরাস নিয়ে বিশ্বে বিভিন্ন দেশে প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। ডেঙ্গুর মহামারিও মোকাবিলা করেছে। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, করোনা মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
মাখরাজ খান
মাঠুরিয়া, মানিকগঞ্জ
কবে আমাদের হাতে এর প্রতিষেধক ওষুধ এসে পৌঁছাবে—তা আমাদের জানা নেই। তবে হোমিওপ্যাথিক মতে, আর্সেনিকের ১০০০ শক্তি পর পর তিন দিন সকালে একমাত্র সেবনে কিছুটা হলেও এই মরণ ভাইরাস হতে আমরা রক্ষা পেতে পারি।
ডা. মো. জামিল রহমান
গোপালপুর , টাঙ্গাইল
করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্ব জুড়ে যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে তাতে স্তম্ভিত। তাই বলে তো জীবন আর বসে থাকে না। বাহিরে বের হওয়া যাবে, যদি কাজ থাকে। না বের হওয়া ভালোই। করমর্দন করা যাবে না। ডাক্তার-বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা বিশ্বে নতুন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।
শিশির
পিলখানা , ঢাকা
নিজের ভালো নিজেকে বুঝতে হবে। আমি আক্রান্ত হলে আমার পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হবে। পারতপক্ষে কাজ ব্যতীত বাইরে না বের হয়ে নিজেদের ঘরে সেভ কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে। ইতিমধ্যে বহু উন্নত দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে—এ রকম যদি আমাদের দেশে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আমাদের দেশে মহামারি আকার ধারণ করবে। সরকারের নির্দেশনা এবং প্রচার/ প্রচারণার মাধ্যমে যে সমস্ত নির্দেশনা হচ্ছে সেগুলো সঠিকভাবে পালন করতে হবে। বিশেষ করে ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক যারা, তাদের অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
খন্দকার কামরুজ্জামান
পীরের বাগ , মিরপুর, ঢাকা
করোনা ভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। এই সংকটিও বৈশ্বিক। তাই এখানে প্রস্তুতি থাকতে হবে আন্তর্জাতিক মানের। সব চিকিত্সক ও নার্সকে রোগীর কাছাকাছি যেতে হবে। তাদের সর্বোপরি সতর্ক থাকা জরুরি। সব রকম সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস রোধ করা সম্ভব।
রিফাত
শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা
বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা ভাইরাস নিয়ে চিকিত্সক, নার্স ও অন্যদের মধ্যে বিরাজ করছে উত্কণ্ঠা ও উদ্বেগ। আমি মনে করি, রোগীর জন্য সুরক্ষিত বিশেষ বাহনের ব্যবস্থা করতে হবে। করোনা ভাইরাস নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার চেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্বই বেশি।
মো. ইফতেখার হোসাইন লিটন
হাইমচর, চরভৈরবী
মাস্ক ব্যবহার, সাবান দিয়ে হাত-পা, মুখমণ্ডল ধোয়া, করমর্দন, কোলাকুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় থাকলেও মানুষ করোনার ভয়ে আছে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
আমাদের দেশ জনবহুল। ফলে রোগটি ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা এমনিতেই বেশি। করোনার সংক্রমণ রোধে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, জনগণের যে সচেতনতা থাকা দরকার, স্বভাবতই অধিকাংশ মানুষের তা নেই। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এ ব্যাপারে কমই জানে। দেশে জরুরিভিত্তিতে করোনা ভাইরাস নির্ণয়ের ব্যবস্থাও বাড়াতে হবে।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা
হাত সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, বারবার হাত ধুতে হবে। হাত দিয়ে নাক বা মুখ ঘষা যাবে না, ঘরের বাইরে গেলে মুখোশ পরতে হবে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে যাবে তাকে অবশ্যই মুখোশ পরতে হবে আর নিজে অসুস্থ না হলেও, অন্যের সংস্পর্শ এড়াতে মুখোশ পরতে হবে। এভাবে সতর্কতা অবলম্বন করলেই আমরা নিজেকে এবং অন্যকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পারবো।
সাবরিনা সুলতানা
ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনোমিক্স
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
