প্রকাশ, ‘পদ্মা দখল করছে প্রভাবশালীরা। নানাভাবে পদ্মা নদীর ৩০ কিলোমিটার এলাকায় চলছে ভরাটের মহোত্সব। বালু পরিবহন ও দোকানঘর নির্মাণের নামে ভরাট চলছে।’ এরকম সংবাদ পড়ে আহত হয় মন। বুড়িগঙ্গার এদিক সেদিক দখল নিয়ে কত লেখালিখি হয়েছে। এবার পদ্মা দখল হতে চললে বাংলাদেশের প্রধান নদীর অস্তিত্ব হারাব কি আমরা! তাহলে কি বলব, এ দেশ তোমার আমার নয়? এদেশ কি তাহলে দখলবাজদের? যে দিকে তাকাই, দেখি অপরাধী দখলবাজ। যার আছে শক্তি, যার আছে খুঁটির জোর তারই দাপট সর্বত্র। এই দাপট ওরা পায় কোত্থেকে! আজ চিত্কার দিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে, যাঁরা দখলবাজদের রুখবেন তাঁরা কি তাঁদের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন নন! অবশেষে বলি, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে নদী দখলবাজদের রুখুন। তবেই আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারব, এ দেশ তোমার আমার। তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা।
লিয়াকত হোসেন খোকন
ঢাকা
