করোনা ভাইরাস সতর্কতার অংশ হিসেবে আসন্ন চসিক নির্বাচন পেছানোর ব্যাপারে ইসির যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। তবে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন জনগণের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে নির্বাচন পেছানো উচিত বলে মত দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে নান্দনিক চট্টগ্রাম আয়োজিত ‘আমাদের নগর আমাদের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশন সে রকম কোনো পরিস্থিতি দেখলে যে সিদ্ধান্ত নেবে, অবশ্যই সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলব। তবে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস এখনো মহামারি বা দুর্যোগ আকারে দেখা দেয়নি। যদি সেই রকম পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তখন নির্বাচন বন্ধের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মেয়রপ্রার্থী মাওলানা এম এ মতিনও নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছেন। গতকাল পাঁচলাইশ ও পশ্চিম ষোলশহর এলাকায় জনসংযোগের সময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার একদিকে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে সভা সমাবেশ-জমায়েত বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন চসিকসহ বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থান প্রকাশ করছে। সিইসির এই ভূমিকাকে স্ববিরোধী ও দ্বিমুখী উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত না দিয়ে জনগণকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে গতকাল নগরীর হোটেল পেনিনসুলায় আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চসিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল আহসান চৌধুরী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, এম এ লতিফ এমপি প্রমুখ।
এদিকে চসিক নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সাথে প্রার্থীদের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
