হোমনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রাণীশংকৈলে নিত্যপণ্য বেশি দামে বিক্রি, ব্যবসায়ীদের জরিমানা

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২০, ২১:১৫

করোনা আতঙ্কে সারাদেশের বাজারগুলোতে চলছে পণ্য কেনার হিড়িক। এই সুযোগ বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। তবে বসে নেই প্রশাসন। বেশি দামে নিত্যপণ্য বিক্রির অপরাধে হোমনা বাজারের তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নয় হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া ভূঁইয়া বলেন, করোনা ভাইরাসের করণে নিত্যপণ্যের সরবরাহ নেই বলে গুজব ছড়িয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে চাল, পেঁয়াজসহ অন্য নিত্যপণ্য বেশি দামে বিক্রি করছে এমন অভিযোগে হোমনা বাজারে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করি। এসময় বেশি দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে বাজারের চাল ব্যবসায়ী পল্টু পোদ্দারকে পাঁচ হাজার, পেঁয়াজ ব্যবসায়ী চাঁন মিয়াকে দুই হাজার ও নোংরা পরিবেশে মুরগি বিক্রির অপরাধে মুরগী ব্যবসায়ী আবদুল জলিলকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক জরিমানার টাকা প্রদান করেন। 

আরও পড়ুন: বাড়িকে দোকান বানিয়ে ফেলছেন ক্রেতারা, ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো

এসময় ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার মালামাল পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত নিত্যপণ্য  ক্রয় ও মজুদ করা থেকে বিরত থাকুন। সতর্ক করেন ব্যবসায়ীদেরও।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস আতঙ্কে অস্থির নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সঠিক মূল্য তালিকা ও ক্রয় মূল্যের চালান না থাকায় ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে ৭২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, মেসার্স সিরাজ ট্রের্ডাস ২০ হাজার টাকা, তাপস রায়কে ২০ হাজার টাকা, মেসার্স রহমানীয়া ট্রের্ডাসকে ২০ হাজার, মেসার্স এমদাদ ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা, রাসেল মিয়াকে ৫ হাজার ও বাপন পালকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ইউএনও ও নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্র্যাট পঙ্কজ বড়ুয়া। 

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা জানিয়েছেন, নিত্যপণ্যের দাম বেশি রাখার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরে শুক্রবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় ছয়টি দোকানে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন।  করোনাকে পুঁজি করে অবৈধভাবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাতারাতি বিভিন্ন পণ্যদ্রব্য বেশিদামে বিক্রি শুরু করেন। উপরন্তু তারা দোকানে  মূল্যতালিকা রাখেন নি।

এদিন সকালে এ তথ্য সাংবাদিকরা প্রশাসনকে জানালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমি আফরিদার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালানা করা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা  স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সারোয়ার হোসেন, ও রাণীশংকৈল থানা পুলিশ।

ইত্তেফাক/এসি