একাদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২৫ নেতার অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে সম্পূরক আবেদন দায়ের করা হয়েছে। ওই আবেদনে ইসির সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়ার পাশাপাশি রুল জারির জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর আজ বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল আবেদনকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর শুনানির জন্য আদালতে আবেদনটি উত্থাপন করেন। আদালত কাল (বৃহস্পতিবার) কার্যতালিকায় থাকবে বলে জানায়। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আজ প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের দৈনন্দিন কার্যতালিকার নয় নম্বর ক্রমিকে আবেদনটি শুনানির জন্য অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার মধ্যে ২২ জন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে এবং ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গত ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপূরীসহ চার ব্যক্তি জামায়াত নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত তিন দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে ইসিকে নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি রুল জারি করে। আদালতের ওই নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২৪ ডিসেম্বর আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়ে ইসির চিঠিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ২৫ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল সংক্রান্ত আবেদনটি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। আলোচনা শেষে এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের আইনগত কোন সুযোগ না থাকায় কমিশন আবেদনটি না মঞ্জুর করল।
কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল বুধবার হাইকোর্টে ওই সম্পূরক আবেদন করেন চার ব্যক্তি। এতে নির্বাচনে জামায়াত নেতাদের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
