আজ বিশ্ব পানি দিবস

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২০, ২২:৪৪

আজ বিশ্ব পানি দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘পানি এবং জলবায়ু পরিবর্তন’। জাতিসংঘ এ প্রতিপাদ্যের মধ্য দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশুদ্ধ পানি প্রাপ্যতা যে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত তাই মানুষের মাঝে তুলে ধরা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

বিশ্বে ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে পানির চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। সেই চাহিদা মেটাতে গিয়ে পরিবেশের ওপর চাপ পড়ছে। ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তা পরিবেশের ওপরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানিই পৃথিবীকে বাসযোগ্য রেখেছে। নিরাপদ পানির অভাবে মানুষের স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ সমস্যা নিরসনে দরকার প্রকৃতিনির্ভর পানি ব্যবস্থাপনা।

জাতিসংঘের দেওয়া এক তথ্য মতে, বিশ্বে বর্তমানে ২১০ কোটি  মানুষ নিরাপদ সুপেয় পানি সেবা থেকে বঞ্চিত। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্ব জনসংখ্যা ২০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে এবং বিশ্বব্যাপী পানির চাহিদা ৩০ শতাংশ বেড়ে যাবে। বর্তমানে বিশ্বে কৃষি খাতে ৭০ শতাংশ যার বেশির ভাগই সেচ কাজে, শিল্প খাতে ২০ শতাংশ বিশেষ করে জ্বালানি ও উত্পাদনে, গৃহস্থালি কাজে ১০ শতাংশ যার এক শতাংশেরও কম সুপেয় পানি হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ, যা ২০৫০ সালে ১৫ কোটির বেশিতে দাঁড়াবে। দেশের বনভূমির পরিমাণ বাড়ছে। কিন্তু, মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে ১৯০০ সাল থেকে ৬৪ থেকে ৭১ শতাংশ জলাভূমি হারিয়ে গিয়েছে। কৃষি ভূমির মাটি ক্ষয়ের ফলে প্রতিবছর ২৫ থেকে ৪০ বিলিয়ন টন টপসয়েল হারিয়ে যাচ্ছে, যাতে ফলন কমে যাচ্ছে এবং টপসয়েলে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন ও ফসফরাস থাকায় তা পানি দূষণে ভূমিকা রাখছে।