এইচপির কোচ হচ্ছেন চম্পকা

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২০, ২০:৪৭

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মে মাসে শুরু হওয়ার কথা ছিল বিসিবির হাইপারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) কার্যক্রম। নির্বাচকরাও এইচপি ইউনিট গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ শেষ হতেই এইচপির ক্যাম্প শুরু হতো। কিন্তু সবই থমকে দাঁড়িয়েছে করোনা ভাইরাসের কারণে। মহামারি আকার ধারণ করা এই ভাইরাসের কারণে পুরো ক্রিকেটাঙ্গনই স্থবির হয়ে পড়েছে। সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম এখন বন্ধ। করোনার প্রভাব কমলে নিকট ভবিষ্যতে সচল হতে পারে বাংলাদেশের ক্রিকেট পাড়া।

তবে এইচপি শুরুর আগে হেড কোচ নিয়োগের চিন্তা করতে হবে বিসিবি। কারণ আগের তিন মৌসুম এইচপি পরিচালনা করা হেড কোচ সিমন হেলমুট বিসিবির চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। তাই নতুন কোচ খুঁজতেই হবে বিসিবিকে।

আপাতত বাইরের কাউকে না এনে নিজেদের হাতে থাকা কোচ দিয়েই সমাধানের পথে হাঁটতে চায় বিসিবি। পেস বোলিং কোচ চম্পকা রমানায়েকেকে দেওয়া হতে পারে এইচপির দায়িত্ব। হেড কোচ হিসেবে তার কথাই চিন্তা করা হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছেন এইচপির চেয়ারম্যান ও বিসিবি পরিচালক নাঈমুর রহমান দুর্জয়।

লম্বা সময় ধরে বিসিবির সঙ্গে কাজ করছেন চম্পকা। শ্রীলঙ্কার এই অভিজ্ঞ কোচের প্রতিই ভরসা করছে বিসিবি। তবে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান এইচপির চেয়ারম্যান। এই বিষয়ে নাঈমুর রহমান দুর্জয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘চম্পকা আমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে তাই স্বাভাবিকভাবেই তিনি প্রধান কোচের ভূমিকা নিতে বেশ আগ্রহী এবং পছন্দের তালিকায় আছেন। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের সঙ্গে কথা বলে আমরা এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

বিসিবির সঙ্গে চাকরির প্রথম দফায় জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ ছিলেন চম্পকা। গত দুই বছর ধরে আবারও বিসিবির পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন। যুব দল, এইচপিসহ উঠতি পেসারদের নিয়ে কাজ করছেন তিনি। জাতীয় দলের পাইপলাইনে পেসার বাড়ানোর চেষ্টায় ফাঁকা ক্যাম্প পরিচালনা করছেন এই লঙ্কান। আবার বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনে জাতীয় দলের নেটেও দেখা যাচ্ছে তাকে।

গত বছর বঙ্গবন্ধু বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হেড কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন পল নিক্সন। ইংলিশ এই কোচকে এইচপির দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তা করেছিল বিসিবি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে নিক্সন আর আসেননি বাংলাদেশে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কোনো হাইপ্রোফাইল বিদেশি কোচ পাওয়া সহজ নয়। সেক্ষেত্রে চম্পকা হতে পারেন সম্ভাব্য ভালো বিকল্প। করোনার প্রভাব কেটে যাওয়ার পর চম্পকার হাতেই উঠতে পারে এইচপি সামলানোর দায়িত্ব।

এবার এইচপিতে আধিক্য থাকবে যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের ক্রিকেটারদের। বছরের শুরুতে বাংলাদেশ বিশ্ব জয়ের স্বাদ এনে দেওয়া আকবর আলী-শরীফুল ইসলামরা সুযোগ পাবেন এইচপি স্কোয়াডে।