সৈয়দপুরে ক্যাপ কারখানায় এখন মাস্ক তৈরির ধুম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২০, ২১:৩৫

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাজারে মাস্ক সংকট দেখা দিয়েছে। আবার যাও পাওয়া যাচ্ছে, দাম খুব বেশি। এ অবস্থায় সৈয়দপুরে প্রায় ২০টির মতো ক্যাপ তৈরির কারখানায় তৈরি হচ্ছে মাস্ক। সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর এসব মাস্ক বাজারে সরবরাহ হচ্ছে খুবই কম মূল্যে।

সরেজমিনে সৈয়দপুর শহরের উপকণ্ঠে চৌমুহনী বাজার এলাকায় দেখা গেছে মাস্ক তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। দেলোয়ার হোসেনের কারখানায় চলছে ২০টি স্বয়ংক্রিয় মেশিন। ঐ মেশিনে মাস্ক তৈরি হচ্ছিল। তিনি বলেন, বাজারে ব্যাপক চাহিদা। আমরাও মনে করলাম মানুষের সেবায় কাজে লেগে পড়ি। আর তাই ক্যাপ তৈরি বন্ধ রেখে মাস্ক বানাচ্ছি। প্রতিদিন তার কারখানায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার মাস্ক তৈরি হচ্ছে। পাইকাররা এসব নিয়ে যাচ্ছেন কিনে। ১৩ থেকে ২০ টাকায় এসব সরবরাহ করা হচ্ছে। একই এলাকার কারখানার মালিক জাবেদুল হক মন্ডল নিজেই ডাইসে কাপড় কাটতে বসেছেন। নেট, রেক্সিন, সুতি কাপড়, টিসু ইত্যাদি উপকরণ দিয়ে মাস্ক বানাচ্ছেন তারা। জাবেদুল হক মন্ডল জানান, এত অর্ডার পাচ্ছি। তাই রাতদিন পরিশ্রম করতে হচ্ছে। সৈয়দপুুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার বলেন, সৈয়দপুরের কয়েকটি কারখানায় মাস্ক তৈরি হচ্ছে। এটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ।

কারখানায় মাস্ক তৈরির ধুম

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পর মাস্কের চাহিদা বেড়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে সিরাজদিখানের ইছাপুরা ইউনিয়নের পূর্ব রাজদিয়া গ্রামের টেংগুরিয়া মোড় সংলগ্ন ক্যাপ তৈরির কারখানায় মাস্ক  তৈরির ধুম পড়েছে। কারখানার মালিক-কর্মচারীরা মাস্ক তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এস এ ক্যাপ কারখানার মালিক শামীম বেপারি ও রুহুল আমিন বেপারি বলেন, আমার কারখানায় মাথার ক্যাপ তৈরি করা হয়। কিন্তু মাস্কের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহ খানেক ধরে মিলে মাস্ক তৈরি করছি।