ফুলবাড়ী ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) সংবাদদাতা
দিনাজপুরে করোনা ভাইরাস সতর্কতায় কাজ করছেন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই খোদ চিকিত্সক ও নার্সদেরই। এমন অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর।
রবিবার ফুলবাড়ী ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে অন্যান্য সাধারণ রোগীর ভিড় নেই। অনেকে আবার করোনা ভাইরাসের ভয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছেড়ে চলে গেছেন। তবে সবচেয়ে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে পড়েছে চিকিত্সা সেবাদানকারী চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নার্স বলেন, আমরা সবার থেকে বেশি হুকমিতে পড়েছি। এখনো সার্জিক্যাল মাস্ক ও গাউনসহ অন্যান্য প্রতিরোধক উপকরণ পাইনি। তবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অক্সিজেন মাক্স ও স্থানীয়ভাবে তৈরি এপ্রোন গায়ে দিয়েই করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে। সেগুলো আসলে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিত্সক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত রোগীদের সমাগমের মধ্যেই চিকিত্সা দিচ্ছি।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. এনায়েতুল্লাহ নাজিম জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সা দেওয়ার জন্য চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের যে ধরনের মাস্ক, গাউনসহ উপকরণ প্রয়োজন সেগুলো এখন সরবরাহ পাওয়া যায়নি। তবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কিছু মাস্ক, গাউনের স্থলে এপ্রোন ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এগুলো দিয়েই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগীদের চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
