করোনা ভাইরাস

এলসির দেনা পরিশোধের সময় বাড়ল

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২০, ২১:৩৮

ইত্তেফাক রিপোর্ট

রপ্তানির অর্থ দেশে আনার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১৮০ দিন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে আমদানি পণ্য দেশে আনার সময়সীমাও বাড়িয়ে ১৮০ দিন করা হয়েছে। এতদিন এলসির দেনা পরিশোধের পর সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে পণ্য দেশে আনার বাধ্যবাধকতা ছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বৈদেশিক এক্সচেঞ্জে জড়িত বাংলাদেশে সব অনুমোদিত ডিলারদের কাছে পাঠানো ঐ চিঠিতে বলা হয়—ঋণপত্র বা এলসির দেনা পরিশোধের সময়সীমা ৬০ দিন বৃদ্ধি করা হলো। এই সময়সীমা ১২০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

একই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে, স্বল্প মেয়াদি বিদেশি ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ১৮০ দিন বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান নিয়মে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ব্যাংকগুলো এক বছরের বাকিতে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও বিদ্যুত্ খাতের পণ্য আমদানি করতে পারে। আর শিল্পে ব্যবহূত কাঁচামালসহ অন্যান্য পণ্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের বাকিতে আনা যায়। তবে উভয় ক্ষেত্রে ছয় মাস বৃদ্ধির ফলে এক বছর এবং দেড় বছর সময় পাচ্ছেন রপ্তানিকারকেরা।

এছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল-ইডিএফের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ছয় মাস মেয়াদে ঋণ নেওয়া যায়। পরে সময় বাড়িয়ে ৯ মাস করা যায়। এ নির্দেশনা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বলবত্ থাকবে। এ সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

অপর প্রজ্ঞাপনে মাধ্যমে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে পুনঃতফসিল করা খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যাংকগুলোকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এর আগে বলা হয়েছিল, বিশেষ নীতিমালায় পুনঃতফসিল করা ঋণ এসএমএ মানে শ্রেণিকরণ করতে হবে। আর এসব ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখতে হবে। প্রকৃত আদায় তথা ঋণের যে পরিমাণ আদায় হবে; আনুপাতিক হারে রক্ষিত প্রভিশনের সে পরিমাণ আয় খাতে নেওয়া যাবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশেষ নীতিমালায় পুনঃতফসিল করা ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হবে। যদিও এসব ঋণ এসএমএ মানে শ্রেণিকরণের নির্দেশনা অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।