চারদিকে করোনা আতঙ্কে শহরের হোটেলগুলো বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায়। অতিথিশূন্য হতে চলেছে শহরের আবাসিক হোটেলগুলো। ভিড় শুধু ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে। শহরের ব্যস্ততম এলাকা ফুলবাড়ী বাজার। রিকশা-ভ্যানের ভিড়ে এ এলাকায় চলাফেরা করা কষ্টের। তবে সোমবার ঐ এলাকা ছিল প্রায় ফাঁকা। তবে এর উলটো চিত্র দেখা যায় ওষুধের দোকানে। প্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য ক্রেতাদের ছোটাছুটির অন্ত নেই। সঞ্জিত প্রসাদ নামের এক যুবক বললেন, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শুরু করে বাজারের প্রায় সব কয়টি ছোটোবড়ো ওষুধের দোকান ঘুরেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার, স্যাভলন, হেক্সাসল ও ডেটল পাননি। চালের দামও বেড়ে গেছে।
মুদি দোকানি সনাতন মহন্ত বলেন, যেভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে করে সন্ধ্যার পরপরই শহর জনশূন্য হয়ে পড়ছে। চা-দোকানি বাদল চন্দ্র ও খোকন পাল বলেন, লোকজন না থাকায় প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। রিকশাচালক আফজাল হোসেন বলেন, সকাল থেকে রিকশা স্ট্যান্ডে রিকশা নিয়ে বসে থেকেও আরোহি পাওয়া যাচ্ছে না। সারাদিনে আগে ৫০০ টাকা আয় হলেও গত তিন দিন থেকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় হচ্ছে।
