করোনা ভাইরাস আতঙ্ককে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব ব্যবসায়ীদের লাগাম টানতে এবং নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে বিভিন্ন সংস্থা। গতকালও এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ১৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, র্যাব-১০-এর সহায়তায় পুরান ঢাকার বাবুবাজার এলাকায় বিভিন্ন চালের আড়তে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চালের দাম বেশি রাখায় ১১টি রাইস এজেন্সিকে ১৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মেসার্স মায়া ট্রেডার্স চালের আড়ত সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। অভিযানের পর নির্ধারিত দাম রাখা শুরু করে চাল ব্যবসায়ীরা।
৩০০ টাকার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ৮০০ টাকা
৩০০ টাকা মূল্যের এক লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ৮০০ টাকায় বিক্রির দায়ে দুটি দোকানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল সোমবার অভিযান চালিয়ে হাটখোলা এলাকার সায়েন্টিফিক এবং মডার্ন সায়েন্টিফিক শপ নামে দুটি দোকানের মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজে অভিযোগের ভিত্তিতে ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে দুটি দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল।
