সোমবার সকাল ১০টা। ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বারান্দায় পায়চারি করছেন অফিস সহকারী অমল শীল। ভেতরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন আয়া হাসনা আক্তার। বাইরে বসে আছেন চিকিত্সা নিতে আসা দুই নারী। উপ-সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এম এ জলিলের রুমে ঝুলছে তালা। আর পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা বীণা পাণি সাহার রুম খোলা থাকলেও তিনি উপস্থিত নেই। অফিসের হাজিরা খাতা থেকে জানা যায়, গতকাল রবিবারও অফিস করেননি ডা. এম এ জলিল। তার পক্ষে সাফাই গেয়ে অফিস সহকারী অমল শীল ও আয়া হাসনা আক্তার বললেন, ডা. এম এ জলিল স্যার সকাল ১০টার দিকে আসেন। তিনি অসুস্থ থাকায় আজ একটু দেরি হচ্ছে। তবে তিনি অফিসে আসবেন এবং নিয়মিত অফিসে আসেন। আর পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা বীণা পাণি সাহা পাশের এক বাড়িতে কাজ করতে গেছেন। একই অবস্থা দেখা গেছে বানজান কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সাড়ে ১০টার দিকে কথা হয় স্বাস্থ্য সহকারী হাজেরা বেগমের সঙ্গে। তবে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার তাসলিমা আক্তারকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, তাসলিমা আক্তার মাসে একবার অফিসে আসেন। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। তাকে কখনো পাওয়া যায় না। নালী গ্রামের তানভীর জানান, পরপর তিন দিন বানজান কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
