জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপির উদ্যোগে শিবচরের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। সোমবার দুপুরে উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ১ম পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে ৫০০ পরিবারকে ২০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, এক লিটার তেল, এক কেজি আটা, এক কেজি লবণ, এক কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি আলু, একটি সাবান, ওষুধ প্যারাসিটামল এক পাতা, দুই প্যাকেট ওরস্যালাইন বোঝাই এক একটি পাকেট দেওয়া হয়। খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন খান, শিবচর পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান, শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন খানসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
এদিকে গত রবিবার মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের কাছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে শিবচরের সর্বস্তরের জনগণকে সতর্কতা অবলম্বন ও প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এমপি। একইদিন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে শিবচর উপজেলার বিদেশফেরতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্টিকার লাগানোর মাধ্যমে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে শিবচরের পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড, পাঁচচর ইউনিয়নের একটি গ্রাম ও দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়নের একটি গ্রামে গত শুক্রবার রাতেই জরুরি সেবা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। চিহ্নিত এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। অতিরিক্ত আড়াই শতাধিক পুলিশ সদস্য উপজেলা জুড়ে মোতায়েন করা হয়। জনগণকে হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতে মাইকিং করে উপজেলা প্রশাসন ও শিবচর পৌরসভা। খুব দরকার ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না।
