বান্দরবানে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক-স্থাপনা

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২০, ২১:৫০

মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১ সেক্টরের প্রথম সেক্টরে ছিল পার্বত্য জেলা বান্দরবান। ‘বীর বিক্রম’ খেতাব পাওয়া বীর যোদ্ধা ইউ কে চিং-এর জন্মস্থান। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে এখানকার শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে কয়েক বছর আগে বান্দরবান জেলা সদরের বাসস্টেশনে প্রধান সড়কের পাশেই নির্মিত হয় একটি স্মৃতিস্তম্ভ। এতে জেলার দুজন বীর শহিদ মুক্তিসেনার নাম ও ঠিকানা  লেখা আছে। নাম দুটিরই প্রথম অংশ স্পষ্ট পড়া গেলেও দ্বিতীয় অংশসহ অন্যান্য তথ্য অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও পড়া সম্ভব নয়! এছাড়া নিয়ম বহির্ভূতভাবে গাড়ি ও ব্যবসায়িক মালমাল রাখার দরুন গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির প্রবেশপথটিও অবরুদ্ধ।  তারপর আবর্জনার স্তূপের কারণে এর সৌন্দর্য ও মর্যাদা অনেকটাই ম্লান। স্মৃতিস্তম্ভটির চারদিকে এক কিলোমিটারের ভেতরে রয়েছে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কিন্তু গাড়ি ও ব্যানারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা স্মৃতিস্তম্ভটি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা আদৌ জানে কি না সন্দেহ! পর্যটন নগরী বান্দরবান জেলা শহরের প্রবেশমুখে এমন একটি স্মারক-স্থাপনা নিঃসন্দেহে গৌরবজনক। বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য স্মৃতিস্তম্ভটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

আবু ফারুক, সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান