খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে পিপিই সংকট!

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২০, ২১:৫৮

খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সক ও নার্সের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জাম পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্টের (পিপিই) সংকট রয়েছে। এ অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হাসপাতালের চিকিত্সক ও নার্সরা। ফলে ব্যাহত হচ্ছে সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা। এরই মধ্যে যে পরিমাণ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে তা শেষ হয়ে গেছে বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চার জন ইন্টার্ন চিকিত্সক হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এতে চিকিত্সকদের মধ্যে উদ্বেগ আরো বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলনায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে সাধারণ মানুষের মতো চিকিত্সকদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জাম প্রদানের দাবিতে গত রবিবার দুপুর ২টা থেকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের দেড় শতাধিক ইন্টার্ন চিকিত্সক রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়ে কর্মবিরতি পালন শুরু করে। তবে, ঐ দিন সন্ধ্যায় কর্তৃপক্ষের ইন্টার্ন চিকিত্সকদের চিকিত্সা সরঞ্জাম দেওয়ার আশ্বাসে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, গত সোমবার আমরা ৩০০ পিপিই পেয়েছি। এই পিপিইর মধ্যে সার্জিক্যাল মাস্ক দেওয়া হয়েছে। তবে, এন-৯৫ মাস্ক দিলে আরো ভালো হতো।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ পিপিই প্রয়োজন। সেখানে গত সোমবার ৩০০ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে। এই পিপিই আজ  শেষ হয়ে যাবে। তবে ঢাকায় আরো পিপিই চাওয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত আরো পিপিই পেয়ে যাব।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, খুলনা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ১০ হাজার পিপিইর প্রয়োজন। সেখানে গত সোমবার ঢাকা থেকে মাত্র ১০০ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।