দেশের সবচেয়ে ধনাঢ্য ক্রীড়া ফেডারেশন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একটা সময় সংগ্রাম করলেও এখন বিসিবির কোষাগার বেশ সমৃদ্ধ। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন ফেডারেশনের প্রতি সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করতে দেখা গেছে বিসিবিকে। হকি, কাবাডির মতো ফেডারেশন পেয়েছে বিসিবির সাহায্য।
বন্যাসহ বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তা নিয়ে হাজির হয়েছিল দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এই দুঃসময়েও হাত বাড়াচ্ছে বিসিবি। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পর করোনার লড়াইয়ে দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।
খুব শিগিগরই করোনা মোকাবিলায় বড়ো অঙ্কের অর্থ দান করবে সংস্থাটি।
অর্থসাহায্য দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বিসিবি। যদিও টাকার অঙ্কটা এখনই প্রকাশ করছে না বিসিবি। সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা শেষে কোথায় অর্থ দেওয়া হবে, কীভাবে ব্যবহার হবে তা ঠিক হবে। তারপরই অঙ্কটা জানাবে বিসিবি।
বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস গতকাল এমনটাই জানিয়েছেন। করোনা ভাইরাসের এই সংকটে বিসিবির অনুদান সম্পর্কে জানতে চাইলে গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন অঙ্কটা ঠিক করা হয়নি। অঙ্কটা ঠিক করে পরে জানাব আমরা।’
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ সাহায্যের অঙ্কটা বেশ বড়ো হবে। এমনকি সেটি দুই কোটি টাকা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এক্ষেত্রে করোনা চিকিত্সার সরঞ্জাম, পরীক্ষার কিট, গ্লাভস, মাস্ক, পিপিই সরবরাহ করা হতে পারে। সরকারের কাছে প্রয়োজন জেনেই অর্থ বা সরঞ্জাম দিবে বিসিবি।
এ অর্থ হস্তান্তর করতে সময় নিবে না বিসিবি। যখনই লাগবে তখনই বিসিবি সেটা সরবরাহ করবে। জালাল ইউনুস বলেন, ‘যখনই লাগে। কোথায়, কীভাবে দেওয়া হবে সেটা সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা সরকারের সঙ্গে আলাপ করে তারপরে ঠিক হবে।’
উল্লেখ্য, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সারা পৃথিবীর ক্রীড়াবিদদের মতো বাংলাদেশের ২৭ ক্রিকেটার এক মাসের বেতনের অর্ধেক দান করেছেন। ৩১ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছেন টাইগাররা। কর কেটে রাখার পর অঙ্কটা দাঁড়াতে পারে ২৬ লাখের মতো। সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তামিম-মুশফিকরা।
