করোনা ভাইরাস রোধে করণীয়

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২০, ২২:০০

জামিনে যত প্রকারের বালামছিবত ও বিপদ নাজিল হয় সবই মানুষের কৃতকর্মের ফল। মানুষের কু-কর্মের কারণে তাদের ওপর এমন সব রোগ-ব্যাধির আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে দিন গুজরান করছে যার কোনো চিকিত্সা নাই। এমনকি পৃথিবীর বড়ো বড়ো দেশ যেমন— চীন, ইতালি, স্পেন, আমেরিকা ও ইংল্যান্ড পর্যন্ত এই রোগ মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে।

চীনের অধিকাংশ মানুষ অমুসলিম। নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, প্রকাশ্যে জিনা, ব্যভিচার, পাক-পবিত্রতার কোনো বালাই নেই। তাছাড়া আল্লাহ তায়ালা যেসব জন্তু আহার করতে হারাম ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন যেমন— পোকামাকড়, সাপ, বিচ্ছু, ব্যাঙ, কাঁকড়া, শূকর, কুকুর ইত্যাদি অহরহ তারা ভক্ষণ করছে। এমন সময় আল্লাহর তরফ থেকে আজাব আসা অস্বাভাবিক নয়।

মুনাফিকদের লক্ষণ হলো বিপদ আসলে তারা আল্লাহকে স্বরণ করে। বিপদ চলে গেলে তারা পুনরায় পাপকর্মে লিপ্ত হয়। বর্তমানে পৃথিবীর বড়ো বড়ো দেশে করোনা ভাইরাস আক্রমণ করছে হুবহু সেই একই কারণে। প্রশ্ন হলো— মুসলিম দেশে করোনা কেন আঘাত করছে? উত্তর হলো— নিজের মানুষ যখন অবাধ্য হয়ে পড়ে সেটা বড়ো কষ্টদায়ক হয়। মুসলমান আল্লাহর একান্ত কাছের লোক। তারা যখন গুনাহর কাজে লিপ্ত হয় তখন তিনি বেশি কষ্ট পান। যার কারণে কলেরা, বসন্ত, ডেঙ্গু, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও করোনা ভাইরাস দিয়ে পরীক্ষা করে থাকেন। এসব দূরাগ্য ব্যাধি থেকে বাঁচার উপায় বেশি বেশি তওবা করতে হবে এবং পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।

আরেকটি উপায় হলো—পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে অজু করলে কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যাবে। বাংলাদেশ অলি আল্লাহর দেশ। পৃথিবীর কোনো দেশে এত মসজিদ নাই, মাদ্রাসাও নাই। তাই আমি মনে করি এদেশে করোনা ভয়াবহ আঘাত করবে না ইনশাল্লাহ।

 

লেখক : আন্তর্জাতিক মোফাসসেরে কোরআন