গত ২২ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘উত্তরায় রাজউকের বেদখল প্লটে অবৈধ মার্কেট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গোলাম ফারুক। প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি ক্রয়সূত্রে ঐ জমির মালিক। তিনি আরো উল্লেখ করেন, তার খরিদকৃত সিএস ও এসএ ৯৪৭ নম্বর দাগটি ভেঙে আরএস ২০০১ নম্বর হয়। তার খরিদা দলিলে সিএস দাগ নম্বর ভুলক্রমে ২০০১-এর স্থলে ২০০৭ লিখিত হওয়ায় তিনি ২০১২ সালে রেজিস্ট্রিকৃত ১৩৭৬৯ নম্বর ভ্রম সংশোধন দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করে নেন। এছাড়া তিনি ঐ জমিতে গাড়ির শো রুম স্থাপনের পাশাপাশি পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুত্ বিল দিচ্ছেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, জমিটি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক অর্থ ঋণ আদালতের রায়ের মাধ্যমে অ্যাটাচমেন্ট বা সংযুক্ত করেছেন। প্রতিবেদনটি সত্য নয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনটি রাজউক, ভূমি অফিস, ব্যাংক, ওয়াসা ভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গোলাম ফারুকের দাবিকৃত দলিলের গরমিল সম্পর্কে সহকারী কমিশনার কর্তৃক ভূমি অফিস থেকে ওয়াসাকে পাঠানো একটি প্রতিবেদনও এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। রাজউকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, প্লট দুটি রাজউকের নিজস্ব সম্পত্তি। ওয়াসা মোডস জোনের ৯-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আজিজুল হক জানান, ওয়াসার লাইনের কারণে কারো সম্পত্তি মালিকানা নির্ধারণ হয় না। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান জানান, ব্যাংকের কাছে গোলাম ফারুক বৃহত্ অংকের ঋণ থাকায় আদালতের মাধ্যমে আমরা এই সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্টে গিয়েছি।
