লন্ডনে চার বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রবাসী স্বজনদের নিয়ে উদ্বিগ্ন সিলেটবাসী

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২০, ২২:৫৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছেন সিলেট বিভাগের অন্তত ১০ লাখ প্রবাসী। করোনার সংক্রমণের পর থেকে এসব রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে  সিলেটবাসীর উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার শেষ নেই। এদের রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির চাকাকে বেগবান রেখেছে। তাদের আয়ের ওপর সিলেটের অনেক পরিবার বেঁচে আছেন। কিন্তু প্রাণঘাতী ভাইরাসটি প্রবাসীদের জীবন বিপন্ন করে তুলেছে।

প্রবাসে দিন দিন বাড়ছে প্রবাসীদের করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে লন্ডনে চার বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিদেশে থাকা স্বজনদের নিয়ে তাই সিলেটের পরিবারগুলোর দুশ্চিন্তা বাড়ছে। তেমনি দেশে ফেরা প্রবাসীদের নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ। এদেরকে ভালো চোখে দেখছেন না স্বজন ও প্রতিবেশীরা। প্রশাসনও তাদের নিয়ে অস্বস্তিতে। কারণ তারা হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন না। তাই বাধ্য হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এদের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইনে গেছেন আরো ১৩৭ জন।

এদিকে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক সঙ্গনিরোধ এবং হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে সিলেটে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে ঘর থেকে বের না হতে পরামর্শ দিচ্ছে তারা। প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহে সিলেট ও মৌলভীবাজার হাসপাতালে আইসোলেশনে মারা গেছেন যুক্তরাজ্যফেরত দুই নারী। 

লন্ডনে চার বাংলাদেশির মৃত্যু : গত বুধবার লন্ডনে করোনা ভাইরাসে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ৮৫ বছর বয়সের পংকি মিয়া মারা  গেছেন। তাকেসহ শহরটিতে এ পর্যন্ত চার জন সিলেটি করোনা ভাইরাসে মারা গেলেন। অপর তিন জন গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের। এছাড়া বিভিন্ন দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিত্সাধীন আছেন আরো অনেকে।