প্রথমে অধ্যায়গুলো সরব অথবা নীরব পাঠ করে নেবে।
০১. প্রাকৃতিক সার পুষ্টি হিসেবে ব্যবহার করে কে বেড়ে ওঠে?
উ: উদ্ভিদ।
০২. কিসের ফলে উদ্ভিদের বীজ সৃষ্টি হয়?
উ: পরাগায়ন।
০৩. বীজ থেকে কী জন্মায়?
উ: নতুন উদ্ভিদ।
০৪. কারা পরাগায়নে সাহায্য করে?
উ: পাখি, মৌমাছি ইত্যাদি।
০৫. বীজের বিস্তরণ কী?
উ: মাতৃউদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন স্থানের বীজের ছড়িয়ে পড়াই হলো বীজের বিস্তরণ।
০৬. বীজের বিস্তার কী গড়ে তুলতে সাহায্য করে?
উ: নতুন উদ্ভিদ আবাস।
০৭.উদ্ভিদ সূর্য থেকে কী পায়?
উ: শক্তি।
০৮. প্রাণী শক্তি পায় কোথা থেকে?
উ: খাদ্য।
০৯. বেঁচে থাকার জন্য জীবের কী প্রয়োজন?
উ: শক্তি।
১০. সকল প্রাণী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কিসের উপর নির্ভরশীল?
উ: উদ্ভিদের।
১১. শক্তি উদ্ভিদ থেকে কোথায় প্রবাহিত হয়?
উ: প্রাণীতে।
১২. খাদ্য শৃঙ্খলের শুরু কোথা থেকে?
উ: সবুজ উদ্ভিদ ।
১৩. খাদ্য শৃঙ্খল কাকে বলে?
উ: বাস্তুসংস্থানে উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে শক্তি প্রবাহের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হলো খাদ্য শৃঙ্খল।
১৪. যেকোনো বাস্তুসংস্থানে অনেকগুলো কী থাকে?
উ: খাদ্যশৃঙ্খল।
১৫. একাধিক খাদ্য শৃঙ্খল একত্রিত হয়ে কী তৈরি করে?
উ: খাদ্যজাল।
১৬. ব্যাঙ খাদ্য হিসেবে কী গ্রহণ করে?
উ: পোকামাকড়।
১৭. আবাসস্থল কাকে বলে?
উ: উদ্ভিদ যে স্থানে জন্মায় এবং প্রাণী যে বিশেষ জায়গায় বাস করে তাকে আবাসস্থল বলে।
১৮. পরাগায়ন কাকে বলে?
উ: বীজ সৃষ্টির লক্ষ্যে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে পরাগরেণুর স্থানান্তরকে পরাগায়ন বলে।
১৯. বীজের বিস্তরণ কাকে বলে?
উ: মাতৃউদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন স্থানে বীজের ছড়িয়ে পড়াকে বীজের বিস্তরণ বলা হয়।
২০. মাধ্যম কাকে বলে?
উ: কোনো কিছু স্থানান্তরের জন্য অথবা কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহূত বস্তু, যন্ত্র বা উপায়।
২১. মাতৃ উদ্ভিদ কাকে বলে?
উ: যে উদ্ভিদের অঙ্গ বা বীজ থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয় তাকে মাতৃ উদ্ভিদ বলে।
