বাণিজ্যিক ভিত্তিতে

সূর্যমুখী ফুলের চাষ

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২০, ২০:৪৪

সারা বিশ্বে সূর্যমুখী তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এতে কোলেস্টেরোলের মাত্রা কম থাকায় স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এই তেলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিভাবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হচ্ছে। ষাট দশকের দিকে আমাদের দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ শুরু হয়। বর্তমানে রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, নাটোর, পাবনা, দিনাজপুর, গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলাগুলোতে এর ব্যাপক চাষ হচ্ছে।   সূর্যমুখী ফুলের বীজ পশুখাদ্য হিসেবে হাঁস, মুরগিকে খাওয়ানো হয়।  দেশের উত্তর এবং পশ্চিম অঞ্চলে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সে. এর নিচে হলে ১০-১২ দিন পর বীজ বপন করতে হয়। খরিফ-১ মৌসুমে অর্থাত্ জৈষ্ঠ্য (মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে) মাসেও এর চাষ করা যায়। জমিতে চারা বা বীজ বপনের আগে জমিকে গভীরভাবে চাষ দিতে হয়। জমি চার-পাঁচবার আড়াআড়ি চাষ দিয়ে ভালোভাবে মই দিতে হয়। এতে মাটি ঝুরঝুরে হয়ে চাষের উপযুক্ত হয়। উন্নত জাতের সূর্যমুখী বীজ নির্বাচন করে জমিতে চাষ দিতে হয়।

সূর্যমুখী ফুলের রোগবালাই রয়েছে। এসব রোগের মধ্যে পাতা ঝলসানো একটি বিশেষ রোগ। ছত্রাকের আক্রমণে সূর্যমুখী ফুল গাছের এই রোগটি হয়ে থাকে। বীজ বপন করার পর পরিপক্ব হতে ৯০-১১০ দিন প্রয়োজন হয়। সূর্যমুখী ফুলগাছের একটু যত্ন করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।