তেঁতুলিয়ায় এখনো করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এ উপজেলায় চলছে অঘোষিত লকডাউন। শহরের মতোই গ্রাম গ্রামে মানুষ এখন ঘরবন্দি। রাস্তা ফাঁকা। কাজকাম নেই তাদের। ফলে খাদ্য সংকেট পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। এদিকে সরকারি উদ্যোগে দরিদ্র্র মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। শহরাঞ্চলের কিছু মানুষ খাবার পেলেও গ্রামীণ নিঃস্ব্ব মানুষের হাতে এখনো কোনো সহযোগিতাই পৌঁছেনি।
উপজেলার ভজনপুর এলাকার ডিমাগজ গ্রামের শামসুল হক সরকার জানান, কাজকাম নেই, খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে গ্রামে। ডাক্তারপাড়া গ্রামের নজিবুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন কাজ করে যা পেতাম তাই দিয়ে সংসার চলত। এখন কোনো কাজ নেই, যে টাকা জমা করেছিলাম তা শেষ। এখন প্রায় না খাওয়া অবস্থা। তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদুল হক জানান, পঞ্চগড়ের এই উপজেলার সবচেয়ে বেশি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। কারণ এই এলাকায় অধিকাংশ মানুষ চা, পাথর শিল্প সংশ্লিষ্ট এবং বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের নানা কাজে জড়িত। করোনা ভাইরাসের কারণে তারা এখন বেকার। এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ ত্রাণ পাওয়া গেছে তা অপ্রতুল। আমরা এরই মধ্যে তালিকা তৈরির কাজে হাত দিয়েছি। সরকারের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের খাদ্য সহযোগিতায় তিনি স্থানীয় ও দেশের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
