না.গঞ্জে ৭ হাজার পরিবারের মধ্যে চাল ও টাকা বিতরণ চলছে

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২০, ২২:১৫

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘোষণা করা সাধারণ ছুটির মধ্যে জেলায় ৭ হাজার ৮৮টি পরিবারের মাঝে ২৬ টন চাল এবং নগদ ৩ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকা বিতরণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন। গতকাল শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসমাগ্রী বিতরণবিষয়ক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান জেলা প্রশাসক। এ সময় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য জেলায় সরকারি চিকিত্সা কেন্দ্র ছয়টি। কোভিড-১৯ চিকিত্সায় প্রস্তুতকৃত বেড ৩০টি এবং করোনায় চিকিত্সা দেওয়ার জন্য ডাক্তার রয়েছেন ৯০ জন এবং নার্স ১৭৩ জন। এম্বুলেন্সের সংখ্যা ছয়টি। এছাড়া বেসরকারি চিকিত্সা কেন্দ্র রয়েছে ৭২টি, কোভিড-১৯ চিকিত্সায় প্রস্তুতকৃত বেড ৭২টি, ডাক্তার রয়েছেন ১০০ জন এবং নার্স ১৮০ জন।  ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুদ রয়েছে ২৪০টি, ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

ডিসি বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় করোনা সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সামাজিক দূরত্ব নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের আইন ভঙ্গের শাস্তি সর্ম্পকে অবহিত করা হচ্ছে, বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। হোম কোয়ারেন্টাইন কার্যক্রমও যথাযথভাবে চলছে। নতুন করে করোনায় কেউ আক্রান্ত হননি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এ পর্যন্ত  জেলায় কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা তিন জন। এরমধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন আর আইসোলেশনে আছেন এক জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৩৫২ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৩৯ জন। ১ মার্চ থেকে এই পর্যন্ত বিদেশ থেকে জেলায় মোট প্রত্যাগত ৫ হাজার ৯৬৮ জন। এর মধ্যে ঠিকানা ও অবস্থান চিহ্নিত বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তি মোট ২৮০ জন।