করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে লকডাউন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি সকল দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবকিছু যেখানে বন্ধ করা হয়েছে সেখানে চা-বাগানগুলো ব্যতিক্রম। বাগানের সকল কার্যক্রম ও হাটবাজার স্বাভাবিকভাবেই চলছে। সরেজমিন জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন চা-বাগান ঘুরে দেখা যায়, বাগান শ্রমিকরা আগের মতো দল বেঁধে, পাতা উত্তোলন, জমাটবদ্ধ হয়ে দুপুরের খাবার খাওয়া ও মাথায় পাতার বোঝা নিয়ে গন্তব্যে ফিরছে। চা-শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তাদের অনেকের কোনো ধারণা নেই। বস্তি এলাকায় লোকজন অনেকটা সচেতনতাও সতর্কতা অবলম্বন করলেও চা-শ্রমিকদের অজ্ঞতায় বাগানগুলো করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে।
এ বিষয়ে ধামাই চা-বাগানের ব্যবস্থাপক গোপাল শিকদার বলেন, শ্রমিকদের কোনো ছুটি দেওয়া হয়নি। রবিবার থেকে বাগানের বাজার বন্ধ করা হয়েছে।
কাপনাপাহাড় চা-বাগান ব্যবস্থাপক কামরুল হাসান বলেন, সকল শ্রমিককে মাস্ক ও সাবান দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া শ্রমিকরা দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, ‘চা-বাগান বন্ধের বিষয়ে আমার কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। তবে বাগান কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।’
