আজ ৩০ মার্চ শহিদ ডা. লে. কর্নেল এন এ এম জাহাঙ্গীরের ৪৯তম শাহাদতবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানী বাহিনী কর্নেল জাহাঙ্গীরসহ আরো ৪৮ জন সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঐ সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ৪০ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর একটি গণকবর থেকে কর্নেল জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়।
কর্নেল জাহাঙ্গীর ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র থাকাকালে মহান ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। পরের বছর তিনি সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোরে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্লিনিকালপ্যাথলজির ওপর উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর, তার অধীনে চিকিত্সা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকাণ্ড জনগণের মাঝে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়। দিনটি উপলক্ষ্যে আগামী শুক্রবার বাদ জুমা পৈতৃক বাড়ি রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার থানা মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।
