বর্ধিত লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিকে বাড়তি হারে করসুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২০, ২১:০২

সিএসইর বাজেট প্রস্তাব

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০ শতাংশের ওপরে লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিগুলোকে বেশি হারে কর রেয়াত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। বাজেটকে সামনে রেখে সিএসটি সবমিলিয়ে ১৬টি দাবি জানিয়েছে। আগামী জুনের শুরুতে পরবর্তী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বাজেটে তাদের দাবির ফিরিস্তি নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) সরকারের বিভিন্ন পক্ষের কাছে তাদের দাবিসংবলিত প্রস্তাব তুলে ধরছে।

সিএসইর বাজেট প্রস্তাবে ২০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানির কর রেয়াত ৫ শতাংশ এবং ৩৫ শতাংশের ওপরে লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিকে ১০ শতাংশ আয়কর রেয়াত দেওয়ার দাবি তুলে ধরা হয়।

স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর করহার কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট করহার বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর রেয়াতের সময়সীমা বাড়ানো, অপেক্ষাকৃত ছোটো কোম্পানির (এসএমই) জন্য প্রথম তিন বছর কর অব্যাহতি দিয়ে পরবর্তী বছরগুলোতে ১৫ শতাংশ হারে আরোপ করা, বন্ড লেনদেনের ওপর কর প্রত্যাহার, তালিকাভুক্ত কোম্পানির রপ্তানি প্রণোদনার ওপর উেস কর বিদ্যমান ১০ শতাংশ কমিয়ে সাড়ে সাত শতাংশ, স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের উেস আয়কর হার কমিয়ে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে চিহ্নিত করণ এবং তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি বিদ্যমান ছয় বছরের পরিবর্তে আট বছর পর্যন্ত টেনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মূলধনী মুনাফার ওপর প্রদেয় করহার বিদ্যমান ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে সাত শতাংশ করা, ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা বিদ্যমান ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা, লিমিটেড কোম্পানি কর্তৃক অপর তালিকাভুক্ত কোম্পানি হতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ আয়ের করহার বিদ্যমান ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা, ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করা, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত নগদ লভ্যাংশের ওপর প্রদেয় আয়করকে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য করা, রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ সীমা বৃদ্ধি করা, করমুক্ত বাড়িভাড়া ভাতার সীমা বৃদ্ধি ও ইউটিলিটি বিলকে অনুমোদনযোগ্য ব্যয় হিসেবে গণ্য করা এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণ ও সুদ মওকুফ জনিত প্রাপ্ত সুবিধা করমুক্ত রাখার দাবি জানানো হয়।