মেলান্দহ (জামালপুর) সংবাদদাতা
করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে জামালপুরের মেলান্দহের ৪১টি কমিউনিটি ক্লিনিকের (সিএইচসিপি) স্বাস্থ্যকর্মীদের নেই কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা। ফলে চরম ঝুঁকির মধ্যে চিকিত্সাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এদিকে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় রোগীরা চিকিত্সা নিতে ভীড় জমাচ্ছেন স্থানীয়ভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে। সারাদেশ লকডাউনে থাকায় ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের লোকজন এখন গ্রামের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ায় সিএইচসিপিতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
সিএইচসিপির স্বাস্থ্যকর্মী জুলেখা, ঈশিতা আক্তার জানান, আগে দৈনিক গড়ে অর্ধশতাধিক রোগী আসতো। এখন আগের তুলনায় রোগী বাড়ছে। করোনা মোকাবিলায় বরাদ্দকৃত সরকারি ওষুধ ছাড়া আমাদের সুরক্ষায় গ্লাভস, পিপিই, মাস্ক এবং অন্য কোনো সাপোর্ট নেই। গ্রামের মধ্যে সর্দি-কাশি-জ্বরঠান্ডা জণিত রোগীই বেশি আসে। এগুলো করোনা রোগের লক্ষণ মনে করে চিকিত্সা দিতেও সাহস পাচ্ছি না।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন এবং মেলান্দহ শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল্লাহ জানান, মেলান্দহে ৪১টি, জেলায় ২৯৬টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১২৪৩টি সিএইচসিপির স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছে। জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে করোনা মোকাবিলায় আমাদের সাপোর্ট চাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক স্বাস্থ্যকর্মী এবং গ্রামের মানুষদের সমস্যা সমাধানে একমত পোষণ করে বলেন—আমরা এগুলোর সাপোর্ট দিতে পারছি না। আশা করি এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।
