দুস্থদের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইফার আগারগাঁওস্থ প্রধান কার্যালয়ে রবিবার দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিরাজমান পরিস্থিতিতে জনগণের সুরক্ষা বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্যে জরুরি সভায় মিলিত হন। এতে তারা নিজ নিজ মতামত উপস্থাপন করেন। এছাড়াও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফি, পটিয়া মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি আব্দুল হালীম বোখারী প্রমুখের কাছ থেকে ই-মেইলে প্রাপ্ত মতামত আলোচনা হয়। বৈঠকে তৈরি করা নির্দেশনায় বলা হয়, তওবা ইস্তেফার ও দোয়া করতে হবে বেশি বেশি। পৃথিবীতে যা কিছু হয় আল্লাহ তাআলার হুকুমেই হয়। এ মহামারি থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। এজন্য কয়েকটি দোয়াও উল্লেখ করা হয়। রোগ ও ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য সতর্কতা অবলম্বন ইসলামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সতর্কতা অবলম্বন তাওয়াক্কুল পরিপন্থি নয় বরং নবিজির (সা) সুন্নত। মসজিদের ব্যাপারে বলা হয়, মসজিদে নিয়মিত আজান, ইকামত, জামাত ও জুমার নামাজ অব্যাহত থাকবে। তবে জুমআ ও জামাতে মুসল্লিগণের অংশগ্রহণ সীমিত থাকবে অর্থাত্ যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত যাদের সর্দি, জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট আছে, যারা আক্রান্ত দেশ ও অঞ্চল থেকে এসেছেন, যারা উক্তরূপ মানুষের সংস্পর্শে গিয়েছেন, যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বয়োবৃদ্ধ, দুর্বল, মহিলা ও শিশু, যারা অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত তারা মসজিদে যাবেন না। আর যারা মসজিদে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেন তাদেরও মসজিদে না আসার অবকাশ আছে। নিম্ন আয়ের মানুষের নিকট খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। গুজব সৃষ্টি না করা এবং আলেমদের এ আহ্বান আন্তরিকতার সঙ্গে ব্যাপক প্রচার ও বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, গণমাধ্যম, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারী/শিক্ষকসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে আহ্বান জানানো হয়।
