ইত্তেফাক ডেস্ক
অগ্নিকাণ্ডে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার এক বাজারের ছয়টি দোকান এবং মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় পৃথক অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত রবিবার ও গতকাল সোমবার এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জামালপুর প্রতিনিধি জানান, জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাথরেরচর বাজারে গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি গুদামসহ ছয়টি দোকান মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাথরেরচর বাজারে ইব্রাহীম খলিল ওরফে ওবায়দুল ও রবিউল ইসলামের দোকান থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। এলাকাবাসী আগুন নেভাতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস দল খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে দুই ব্যবসায়ীর গুদামঘরসহ মোট ছয়টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় এলাকায় বিদ্যুত্ ছিল না। কয়েল কিংবা সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। সানন্দবাড়ী তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা নিয়েছি। তাদের সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে।’
শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা জানান, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর, চৌগাছী ও মোর্তুজাপুর গ্রামে গতকাল সোমবার ও গত রবিবার পৃথক তিনটি অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দারিয়াপুর গ্রামের হারুণ মল্লিকের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার বসতঘরসহ যাবতীয় ফসল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যান কানন তাত্ক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চাল, ডাল, তরকারি, তেলসহ যাবতীয় নিত্যপণ্য প্রদান করেন। একই ইউনিয়নের চৌগাছী গ্রামের সেকেন্দার বিশ্বাসের বাড়ির রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুন লাগলে ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
রবিবার বিকেলে উপজেলার মোর্তজাপুর গ্রামে এক অগ্নিকাণ্ডে মুক্তিযোদ্ধা তোরাব আলী বিশ্বাস, নাজমুল বিশ্বাস, হাসিবুল বিশ্বাস ও আলিনুর বিশ্বাসের ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
