রংপুর বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে ১১৯২

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২০, ২১:৫৩

গাইবান্ধায় আইসোলেশনে চার জন

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর

রংপুর বিভাগের আট জেলায় আরো ৫৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত এ নিয়ে রংপুর বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৩ জনে। এর মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১ হাজার ৭৮৪ জন ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা ছয় জনসহ ১ হাজার ৭৯০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এখনো হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১ হাজার ১৯২ জন। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত ফোকাল পার্সন ডা. জওয়াহেরুল আলম সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত রংপুর জেলায় ১৪ জন, গাইবান্ধায় দুই জন, কুড়িগ্রামে ছয় জন, লালমনিরহাটে দুই জন, নীলফামারীতে সাত জন, দিনাজপুরে ১৮, ঠাকুরগাঁওয়ে চার ও পঞ্চগড় জেলায় দুই জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার আমির আহমেদ খান জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের সবাই সুস্থ আছেন। গাইবান্ধায় জেলায় চার জনকে আইসোলেশনে ও এক জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

আগৈলঝাড়ায় বিদেশফেরত ৫৩০

কোয়ারেন্টাইনে মাত্র ৪০ জন!

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা জানান, বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মার্চে বিদেশ থেকে আসা ৫৩০ জনের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মাত্র ৪০ জন। অন্যদের হদিস নেই। এদিকে বিদেশফেরত কিছু লোকজনের বাড়িতে গিয়ে ২৪ মার্চ প্রশাসন লাল পতাকা টানিয়ে দেয়। এদিকে হাটবাজারে গণজমায়েত না করার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চললেও বিভিন্ন হাটবাজারের খোলা চায়ের দোকানে গণজমায়েত হচ্ছে প্রায় আগের মতোই। প্রত্যন্ত এলাকার চায়ের দোকানগুলো খোলা থাকায় সেখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখেই জমায়েত হচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। করোনা মোকাবিলায় আগৈলঝাড়ায় কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে সরকারি বরাদ্দের চালের সঙ্গে স্থানীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ব্যক্তিগত অর্থায়নে কর্মহীন দুস্থ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পাশপাশি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন ব্যক্তিগত অর্থায়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর্মহীন শ্রমিকদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করে আসছেন। দুস্থদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগ নেতা সাগর সেরনিয়াবাত। মার্চ মাসের দোকান ভাড়া মওকুফ করেছেন পয়সারহাট বন্দরের ঘর মালিক রাসেল মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন জানান, করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।