এই ঘরে থাকার সময়টাতে শরীরে থাকা এনার্জি যেন কোনো নেতিবাচক দিকে না যায়, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। ব্যায়াম করে আর হেঁটে হেঁটে মস্তিস্ক যখন পুরো শরীরে ক্লান্তির বার্তা পাঠায় তখন শুভ সকালের অনুশীলনে ক্ষান্ত দিই। মানসিক স্বস্তির জন্য এই চর্চাও বেশ কাজের। ঘরের কাজকর্ম শেষ করে সিনেমা আর সিরিজ দেখতে বসি। গত কয়েক দিন যার কাছ থেকে যে সিনেমা-সিরিজের নামই শুনছি সেটাই দেখে ফেলেছি। অন্য সময়ে অনেককেই অভিযোগ করতে শুনতাম, সময় পাচ্ছি না, ভালো সিনেমা দেখতে পারছি না, অবসরে বিশ্রাম নিতে পারছি না—এমন আরও কত কথা। এখন যখন সবার হাতে অখণ্ড অবসর, তখন সময়টা কাজে লাগাতে হবে। পুরনো সব ধ্যান-ধারণা ধুয়ে-মুছে সামনে একটা নতুন পৃথিবীর শুরু হবে। সেখানে সবাই একই সঙ্গে আবার পথচলা শুরু করবেন। তারকা কিংবা ছাপোষা মানুষ, যে-ই হোন না কেন, কারও জন্য কোনো বাঁধাধরা গণ্ডি থাকবে না, সবাই সমান হয়ে যাবে। তাই সেই সময়ের জন্য নিজেকে এখন থেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করছি।
অবসরের এই সময়টা ঘরে বসে যেভাবে কাটছে সেই প্রসঙ্গে
চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ
