চাপের মুখে করোনার পরীক্ষা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২০, ২১:১০

রয়টার্স

করোনা ভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় মন্থর গতি অবলম্বন করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে যুক্তরাজ্য। এ অবস্থায় অনেকটা চাপের মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সংক্রান্ত পরীক্ষা ব্যাপকভাবে বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  

গত কয়েকদিন ধরে এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয় যে যেভাবে ধীরগতিতে করোনার পরীক্ষা দেশটিতে করা হচ্ছে তাতে করে লাখো মানুষ এতে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারে। কারণ এসব রোগীকে শনাক্ত করে আইসোলেশনে রাখা না হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে। এছাড়া সমালোচনা হয় দেশটিতে যে ভেন্টিলেটর রয়েছে তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। গতকাল টুইটারে এক ডিডিও বার্তায় বরিস জনসন বলেন, পরিস্থিতির বিবেচনায় আমরা করোনা পরীক্ষা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছি। কারণ এই মুহূর্তে এটি করা খুবই জরুরি। তিনি বলেন, এ নিয়ে অ্যান্টিবডি পরীক্ষার পাশাপাশি অ্যান্টিজেন টেস্টও করা হবে। কারণ অ্যান্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব ব্যক্তির ‘ইমিউন সিস্টেম’ আর অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে জানতে পারব তার দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি আছে কিনা। উল্লেখ্য দেশটিতে এখন দিনে ১৩ হাজার লোকের করোনা টেস্টিং এর সক্ষমতা রয়েছে। সেখানে জার্মানিতে সপ্তাহে ৫ লাখ লোকের পরীক্ষা করানোর সক্ষমতা রয়েছে।

ব্রিটেনের এই বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এপ্রিলের মাঝামাঝি করোনা পরীক্ষা দ্বিগুণ করা হবে। বুধবার পর্যন্ত দেশটিতে ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৭৯ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৪৭৪ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।