করোনার প্রভাব
চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামের ওষুধের দোকানগুলো গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ফাঁকা। দেশব্যাপী লকডাউন ও সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগেও যেখানে ক্রেতার ভিড় দেখা গেছে, সেখানে এখন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ওষুধ কিনতে কেউ আসছেনই না। খাবারের দোকান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও ওষুধের দোকানগুলো সব সময়েই খোলা রয়েছে।
তবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণার পূর্বক্ষণে এক ধরনের সাধারণ ওষুধ ও চিকিত্সাসামগ্রী বিপুল পরিমাণে বিক্রি হয়েছে বলে জানান বিভিন্ন ওষুধের দোকানের বিক্রেতারা।
নগরীর আয়েশা ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী ও ওষুধ বিক্রেতা আব্দুল মজিদ ইত্তেফাককে বলেন, ২৬ মার্চের আগে যেখানে প্রতিদিন শত শত ক্রেতা এসেছেন সেখানে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে ১০/১৫ জন ক্রেতা আসছেন। দোকানে ওষুধের কোনো সংকট নেই।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কর্মরত চিকিত্সক ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার ইত্তেফাককে বলেন, এ সময় সর্দি, কাশি ও জ্বরের চিকিত্সায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সিমটোমেটিক চিকিত্সা। প্রথমত, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। গা ব্যথা, জ্বরে নাপা বা প্যারাসিটামল গ্রুপের ওষুধ, সর্দিতে নাক বন্ধ হলে নাকের ড্রপ, গলাব্যথা হলে গরম পানির গার্গেল সঙ্গে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শুকনা কাশি কফ কাশিতে রূপান্তরিত হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন বিবেচনায় ভালো ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে। আর করোনা সতর্কতায় ঘরে থাকা, মনে সাহস রাখা এবং ব্যক্তিগত সতর্কতাই হচ্ছে সবচেয়ে জরুরি। করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সব ধরনের সতর্কতামূলক প্রস্তুতি রয়েছে বলেও তিনি জানান।
