একদিনেই আওয়ামী লীগের ৪০ জনকে আহত করা হয়েছে:জয়

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৩৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, শুধু ২৬ তারিখেই ১৭টি জেলার ২২টি আসনে বিএনপি-জামায়াতের হাতে ৪০ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এমন অভিযোগ করেন। ওই স্ট্যাটাসে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগামী নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান জয়।

জয় লিখেছেন, মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ১ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ৪৪১ জন আহত হয়েছেন। ১৭০টি আওয়ামী লীগ কার্যালয়, বাসা-বাড়ি ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ৬৮টি কার্যালয় ও যানবাহন পোড়ানো হয়। অন্তত ৪টি জায়গায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। শুধু ২৬ তারিখেই ১৭টি জেলার ২২টি আসনে বিএনপি-জামায়াতের গুণ্ডাবাহিনীর হাতে ৪০ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন, ১০টি জায়গায় বোমাবাজি ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে এবং ৭টি দলীয় কার্যালয় ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত মানেই সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধ। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগামী নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করুন।

উন্নয়নের স্বার্থে ৩০ ডিসেম্বর

নৌকার পক্ষে থাকুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় উন্নয়নের স্বার্থে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আগামীতে ক্ষমতায় এলে তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশেষ মনোযোগী হবে আওয়ামী লীগ। নৌকায় ভোট না দিলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি টেলিভিশন অফিস পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আবারও নির্বাচিত হলে দেশে ইন্টারনেটের মূল্য পর্যায়ক্রমে কমানো হবে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল, ডিজিটাল প্রযুক্তিতে পাল্টে দেওয়া হবে সামগ্রিক চিত্র; প্রতিশ্রুতি ছিল প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌঁছে দেওয়া হবে ইন্টারনেটের সেবা। গেল ১০ বছরে নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটেছে অনেকাংশেই। দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটির ঘরে, যেখানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহকই ৫ কোটির উপরে।’ দেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তরুণসহ সব ভোটারকে নৌকার পক্ষে থাকার আহ্বান জানান তিনি।