হাটবাজারে মানুষের ভিড়
ইত্তেফাক ডেস্ক
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই সময়েও বিভিন্ন স্থানে সরকারি আইন মানছেন না অনেকে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে যত্রতত্র বিচরণ করছেন। রাস্তাঘাটে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন চলাচল করছে। মানুষ চায়ের আড্ডায় মেতে উঠেছেন। হাটবাজার করছেন গাদাগাদি করে। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, সরিষাবাড়ীতে লকডাউন উপেক্ষা করে যত্রতত্র বিচরণ করছে সাধারণ মানুষ। রাস্তাঘাটে রিকশা, অটো-ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে যাত্রীরা অবাধে যাতায়াত করছে। হাট-বাজারে কেনাকাটা করছে গাদাগাদি করে। পাড়া-মহল্লায় ছেলেমেয়েরা রাস্তাঘাটে আড্ডা মারছে। রাস্তাঘাটে মাইক দিয়ে সর্তকতামূলক প্রচার চালালেও কেউ যেন তা কর্ণপাত করছে না। পৌরমেয়র ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, আমরা জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণ সচেতনতা অর্জন করবে বলে আমরা আশা করছি।
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন না অনেকে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ না মেনে বিভিন্ন হাট-বাজারে গাদাগাদি করে পণ্য কিনছেন। জনসমাগম স্থান কিংবা দোকানের সামনে ভিড় জমিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। চন্দনাইশ হাসপাতালের ডা. আবু রাশেদ জানান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে না চললে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।
হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা কিশোর-যুবকদের খেলা ও চায়ের দোকানে আড্ডা চলছে। শ্রমজীবী মানুষেরাও আড্ডায় মেতে উঠেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মানুষজনকে ঘরে থাকার জন্য বার বার তাগিদ দিচ্ছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অনেকে শুনছেন না। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আইন মানার অনুরোধ জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া।
নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, নিকলীর গ্রামীণ জনপথ আর হাটবাজারগুলোতে এখন লোকজনের ভিড় লেগেই আছে। অনেক শ্রমজীবী মানুষ বাধ্য হয়ে নিয়ম না মেনে জীবিকার তাগিদে বের হচ্ছেন ঘর থেকে। কারণে-অকারণে দিনরাত ঘোরাঘুরি করে দিব্যি সময় পার করতে অনেককে দেখা গেছে। নিকলী সদরের মুক্তিযোদ্ধা গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, উত্সবভিত্তিক ছুটির মতো নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ গ্রামের বাড়িতে এসে হাটবাজার ও চা-স্টলে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছে। নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, নিকলীর ১৩টি হাট-বাজার সামাল দিতে প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
