রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইলে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের পরিচালক জামাল হোসেনের (৫২) রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরিচালক জামালের রুমে ফার্মাসিস্ট মোবারক করিমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত ২৯ মার্চ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৭ নম্বর কক্ষের জানালার গ্রিলের সঙ্গে মোবারক করিমের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। মোবারক করিম ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকার প্রো অ্যাক্টিভ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট। অর্থ লেনদেনের সূত্র ধরে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের দুই পরিচালক জামাল হোসেন ও আক্তার হোসেন মামুন তাকে ডেকে নিয়ে যায়। তাকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ কক্ষের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালায় বলে মামলা সূত্রে জানা গেছে। পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে ও বাম পায়ে তিনটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বড়ো ভাই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ডেমরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় আসামি জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
