আড়াইহাজারে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১:২৯

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

আড়াইহাজারে প্রশাসনের অভিযান, নানা প্রচার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির পরও ঘরে আটকে রাখা যাচ্ছে না মানুষকে। বিশেষ করে তরুণ, কিশোররা দলবেঁধে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। বিকাল থেকে সন্ধ্যা কোথাও রাত অবধি অলিগলিতে জড়ো হচ্ছেন তারা। গতকাল শনিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোহাগ হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. উজ্জ্বল হোসেন সেনা সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার প্রদক্ষিণ করে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান। কারো মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস, কারো কিছুই নেই। গোল হয়ে বসে কিংবা দাঁড়িয়ে চলছে তুমুল আড্ডা। হাসি-ঠাট্টা, রসিকতা, খোশগল্প। উপজেলার আড়াইহাজার বাজার, গোপালদী, উচিত্পুরা, মানিকপুর, বিশনন্দী, জাঙ্গালিয়া, তিনচন্দী, সুলতানসাদী, খাগকান্দা, দয়াকান্দা, কলাগাছিয়া বাজারসহ অনেক এলাকায় সড়ক ও অলিগলিতে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

নানা অজুহাতে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ জটলা পাকালেও টহলরত সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি দেখে দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে খানিক পর পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। এ ছাড়া পাড়া-মহল্লা বিশেষ করে মুদি ও ওষুধের দোকান ঘিরে মানুষের জটলা হচ্ছে বেশি।

অভিযোগ রয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে হাটবাজারে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকে বাজারে ঘুরছেন। গতকাল গোপালদী বাজারের সবকটি প্রবেশপথে ভিড় দেখা যায়। নিরাপদ দূরত্ব নিয়ে বেচাকেনা করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না ক্রেতা-বিক্রেতা। একই চিত্র দেখা গেছে অন্যান্য বাজারেও।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোহাগ হোসেন জানান, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিতে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। সেনা সদস্যদের সহযোগিতায় চলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। কিন্তু বিভিন্ন বাজারে নিষিদ্ধ করা দোকানপাট খুলে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা করতে দেখা যায়। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।