মার্চে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২০:৪৩

বাজারে মূল্যবৃদ্ধি তথ্যের প্রতিফলন

নেই বিবিএসের প্রতিবেদনে

ইত্তেফাক রিপোর্ট

গেল মার্চ মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশে। আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুযায়ী মার্চে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে এলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গেল মাস থেকেই চাল, ডাল, তেল, লবণসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় খাদ্য থেকে ওষুধসহ সব ধরনের পণ্যই কেনার হিড়িক দেখা যায়; কিন্তু বাড়তি দামের প্রভাব বিবিএস প্রতিবেদনে আসেনি। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে কমে এসেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, মাঠ পর্যায়ে মার্চের প্রথম দিকে তথ্য সংগ্রহ করার কারণে প্রকৃত মূল্যবৃদ্ধির চিত্র উঠে আসেনি।

১২ থেকে ১৮ মার্চের তথ্য নিয়ে এই মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন করা হয়েছে। করোনার প্রভাবে সাধারণ মানুষ মার্চের শেষ দিকে বেশি ক্রয় করতে থাকে। ফলে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি পেতে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবির দেওয়া তথ্যানুযায়ী মার্চের ১৬ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে থাকে। এই বিষয়গুলো বিবিএসের মূল্যস্ফীতির তথ্যে উঠে আসেনি। সংস্থাটির মূল্যস্ফীতির সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি কমে আসার পর মার্চ মাসে কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশে। এসময়ে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার ফেব্রুয়ারি মাসে ৪ দশমিক ৯৭ থেকে কমে মার্চে দেখানো হয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ ভাগ। যেটুকু মূল্যবৃদ্ধির তথ্য দেখানো হয়েছে সেটি খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে। ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ২৩ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৪৫ ভাগ হয়েছে।