টেকনাফ উপকূলে মৃত ডলফিন!

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২১:৩৭

টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

টেকনাফে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে শনিবার দুপুর থেকে মৃত ডলফিন ভেসে আসতে দেখা গেছে। উপকূলের কয়েকটি স্থানে ডলফিন ভেসে আসতে দেখেছেন স্থানীয়রা। এ পরিস্থিতিতে সাগরের পরিবেশ রক্ষায় এসব সামুদ্রিক প্রাণী বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা। বাহারছড়া এলাকার মানবাধিকার ও উন্নয়ন কর্মী জালালউদ্দিন জানান, শনিবার দুপুরে শামলাপুর সি-বিচে  ঘোরাঘুরি করছিলাম। হঠাত্ সাগরের ঢেউ কূলে নিয়ে আসে একটি বড়ো আকৃতির ডলফিন। কাছে গিয়ে দেখি ডলফিনটি প্রায় মৃত। তিনি ডলফিনটির লেজে ঘা দেখে জানিয়েছেন ডলফিনটি রোগাক্রান্ত ছিল বলে বলেন। শামলাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম. এ মনজুর জানান, হয়তোবা ট্রলার এবং বড়ো ঘেরওয়ালা জালের আঘাত পেয়ে ডলফিন অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। কক্সবাজার সিটি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক মৃত ডলফিন ভেসে আসার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এর কারণ খুঁজে  বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।

টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, সাগরের ঢেউয়ে ভেসে আসা মৃত ডলফিন বন বিভাগের হেফাজতে এরই মধ্যে সত্কার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হাঙ্গর, তিমি, ডলফিন, কচ্ছপ ও কাঁকড়া সুরক্ষায় জনসচেতনতা বাড়াতে রবিবার বিকালে উপকূলে মাইকিং করার কথা জানান। এছাড়া জেলেদের জালে এসব প্রাণী ধরা পড়লে সাগরে ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালানো হয়েছে। জানতে চাইলে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ নাজমুল হুদা বলেন, আসলে বড়ো ট্রলারের আঘাতে বা অন্য কোনো কারণে ডলফিন মারা যেতে পারে। সাগর তলের পরিবেশের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে তিনি বঙ্গোপসাগরের তীরে মৃত ডলফিন ভেসে আসার কারণ খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা কেন্দ্রের দৃষ্টি কামনা করেন।