স্থানীয়দের সামাজিক ‘লকডাউন’

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২০:৪০

ইত্তেফাক ডেস্ক

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থানে সামাজিক লকডাউন করেছে স্থানীয়রা। জনসমাগম এড়াতে পাড়া-মহল্লার প্রবেশপথগুলো বাঁশ ও গাছের গুঁড়ি দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। ঝুঁলিয়ে দেওয়া হয়েছে লকডাউনের সাইনবোর্ড। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা জানান :

নীলফামারী :পাড়া-মহল্লার প্রবেশপথগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন বসবাসকারীরা। পৌর এলাকার শাহীপাড়া, জুম্মাপাড়া, উকিলপাড়া, বাবুপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। টানানো হয়েছে লকডাউনের সাইনবোর্ড। পাশাপাশি প্রবেশপথে জীবাণুনাশক রাখা হয়েছে।

বগুড়া : সড়কগুলোতে বেড়া দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পৌর এলাকার মতোই উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের সচেতন যুবকরা গ্রামের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা।

তিতাস (কুমিল্লা) : প্রতিটি গ্রামের প্রবেশমুখে গাছ-গাছালির ডাল, বাঁশ ও গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল ও জনগণের অবাধ চলাফেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও যুবসমাজ সকাল থেকে তা বাস্তবায়ন করেন।

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) : তেওতা জমিদারবাড়ি, টেপড়া-বড়টিয়া, দশচিড়া-রুপসা, আরিচা-দাশকান্দি-পাটুরিয়া সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় আড়াআড়ি বাঁশ ফেলে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে যুবক ও সচেতন মহল।

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) : বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লায় বাইরের লোকজন বা যানবাহন চলাচল লকডাউন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রবেশপথে গাছের গুঁড়ি এবং বাঁশ বেঁধে পাড়া লকডাউন করা হয়েছে।

মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি) : মহালছড়ি উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রাম এলাকাবাসীর উদ্যোগে লকডাউন করা হয়েছে।

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) : বিভিন্ন গ্রামে রাস্তায় বাঁশের বেড়া ও গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যারিকেড দিয়ে চলছে লকডাউন। সদরের ইউনিয়নপাড়া রোড, মির্জাপুর পৌরসভার সাহাপাড়া বাবুবাজার, দালানবাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম লকডাউন করা হয়।

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) : উপজেলায় এক জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় মাদারগঞ্জ উপজেলায় ব্যক্তি উদ্যোগে সব রাস্তাঘাট লকডাউন করা হয়েছে। বেড়া, বাঁশ ও গাছের গুঁড়ি ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।